রোকন রাইয়ান
নির্বাহী সম্পাদক
লক্ষ্মীপুর পৌর সভার মেয়র আহহাজ আবু তাহের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় লক্ষ্মীপুর শহরে দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার নির্দেশে এলাকার সাধারণ মানুষ ও দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান স্বাগত জানান।
তবে আলোচনা সমালোচনার পর একদিনের মাথায় এ ঘোষণা থেকে পিছিয়ে এসেছেন তিনি।
সৌদিতে এরকম আইন থাকলেও বাংলাদেশে এ ঘোষণা অভিনব। সে কারণে ঘোষণার প্রশংসা অনেকে করলেও বিপরীত মত আসতেও সময় লাগেনি।
কিছু মিডিয়া এ নিউজের সঙ্গে সঙ্গে মেয়রের দুর্নীতির ফিরিস্তিও তুলে ধরেছিল। বলেছিল এরকম একজন মানুষ নামাজ উপলক্ষ্যে কেন এমন নির্দেশে যাবেন। তবে মেয়রের সঙ্গে যোগাযোগ করে আওয়ার ইসলাম পেয়েছে ভিন্ন গল্প।
আলহাজ আবু তাহের জানিয়েছেন, এ সিদ্ধান্ত আমার নয়, এখানকার এলাকার ব্যবসায়ীরা ধর্মপ্রাণ, মানুষজনও। তারাই মিলে মিশে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কেবল বাস্তাবায়নের জন্য তারা আমাকে অনুরোধ করেছে।
মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) আওয়ার ইসলামের সঙ্গে মেয়র এ নির্দেশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘গত রমজানে লক্ষ্মীপুর শহরে বিশাল আয়তনের পাঁচতলা মসজিদ করা হয়। মসজিদে হাজার হাজার লোকের নামাজের ব্যবস্থা থাকলেও খুব অল্প মানুষ নামাজে আসছিলো। দেখা যেতো মানুষজন দোকানে বসে অহেতুক আড্ডা দেয়। এক আড্ডায় ১৫-২০ জনও থাকে।’
‘নামাজের প্রতি মানুষের এ অবজ্ঞা ও অবহেলায় দীনদার মুসল্লি, আলেম সমাজ, মসজিদ কমিটি, ব্যবসায়ী সমিতি; বলতে গেলে সর্বস্তরের মানুষের ছিলো অপছন্দনীয়।’
আলহাজ আবু তাহেরের ভাষ্যমতে, ‘তারা রমজানের পর থেকে আমাকে বহুবার অনুরোধ করেছে আমি যেনো এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেই। আমি তাদের বলি, জোর করে কিছুই হয় না। আসেন আমরা সবাই তাদের দাওয়াত দেই, অনুরোধ করি। এরপর আমিসহ সবাই মার্কেটের লোকজনকে নামাজের কথা বুঝাই।’
দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ কেনো দিতে হলো এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা কয়েক মাস দাওয়াত দিলাম, অনুরোধ করলাম কিন্তু খুব বেশি লাভ হলো না। দেখা গেলো, কয়েকজন দোকানদারের জন্য পুরো পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এরপর সবার পরামর্শে আমি এ ঘোষণা দেই।’
দোকান বন্ধের ঘোষণা্য় সর্ব স্তরের মানুষ স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকা