সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সৌদি আরবের উদারনীতি ও যুবরাজের ভিশন সময়োপযোগী পদক্ষেপ’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৌদি আরবের যুবরাজ ও আগামীর বাদশা মুহাম্মদ বিন সালমান দেশ পরিচালনায় উদারনীতি গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, স্টেডিয়ামে খেলা দেখাসহ অাধুনিক অনেক বিষয় বাস্তাবায়নে কাজ চলছে।

এ লক্ষে যুবরাজ মুহাম্মদ ভিশন ৩০ নামের প্রকল্পও হাতে নিয়েছেন। গণমাধ্যমে এসব প্রকাশের পর আলোচনা চলছে সর্বত্র। কেউ সহনীয় মনোভাব কেউ বা তীর্যক ভাষায় সমালোচনা করছেন এসব পদক্ষেপের।

বাংলাদেশের আলেমগণ কিভাবে দেখছেন তার ভিশন ২০৩০ কে। এসব- এ বিষয়ে আওয়ার ইসলাম মুখোমুখি হয়েছিল বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার, শিক্ষাবিদ আলেম ও সাংবাদিক মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভীর। যেখানে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেছেন সবগুলো বিষয়ের।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের সম্পাদক হুমায়ুন আইয়ুব।

আওয়ার ইসলাম: সৌদি আরব ভৌগলিকভাবে একটি রাষ্ট্র হলেও ২০০’শ কোটি মুসলমানের কাছে এটা শুধু একটি রাষ্ট্র নয় বরং ভালবাসা ও মর্যাদাপূর্ণ স্থান। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি যুবরাজ রাষ্ট্র পরিচলানায় যে উদারনীতি গ্রহণ করেছেন তা আপনি কিভাবে দেখছেন?

উবায়দুর রহমান খান নদভী: এটা সাধারণ একটা জিজ্ঞাসা, প্রতিটি মুসলমানের মনেই; আমরাও অনুভব করেছি বিষয়টা।

আসলে সৌদি আরব যে অবস্থানে আছে, আবেগের দৃষ্টি থেকে এটার একটা পরিচয় আছে, মুসলিম উম্মাহ তাদের যা মনে করেন বা তারা যেই অবস্থানে সে হিসেবে কি তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথ পালন করে আসছিলেন? এটা একটা বড় প্রশ্ন।

সৌদি আরবের শাসনের যে ধর্মীয় দিক, বিচার, শরিয়া পরিপালন ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের মনে কোন প্রশ্ন নাই। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে তারা শরিয়ার সীমালঙ্ঘন করতেন, এর আগে বহু আগেও এরকম দেখা গেছে।

বিশেষ করে ২০০ কোটি উম্মাহ যেটা আপনি বললেন, তাদের সবাইকে একসাথে রেখে, সবার ভালমন্দ বিবেচনা করে একসূত্রে গাঁথা, সমানভাবে দেখা, এক্ষেত্রে সৌদির কিছু কঠোরতা, কিছু ত্রুটি ছিল।

এজন্য আমরা উপমহাদেশের আলেমগণ সৌদি আরবের ধর্মতত্ত্বের সাথে একমত পোষণ করতাম না। যেমন, মাযহাবকে তার সঠিক মর্যাদায় রাখা, আহলে হাদীস সম্প্রদায়কে নিয়ে বেশী অগ্রসর না হওয়া, বিশ্বের নানা দেশের কà§