রোকন রাইয়ান
নির্বাহী সম্পাদক
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সঙ্গে কওমি মদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (২০ নভেম্বর) আগারগাওয়ে ইউজিসির কার্যালয়ে দুপুরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাইআতুল উলয়া প্রণিত গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করা হয়।
গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত ও সনদের মান বিষয়ে রূপরেখা দাঁড় করাতে একটি সাব কমিটিও করা হয়েছে বৈঠকে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ড. শাহ নেওয়াজ আলী, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আহসান উল্লাহ, প্রফেসর আবদুর রশিদ, আল্লামা আবদুল হালিম বোখারী, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মুফতি রুহুল আমিন, মুফতি মোহাম্মদ আলী, মাওলানা আরশাদ রাহমানী, মুফতি নুরুল আমিন ও মাওলানা এনামুল হক প্রমুখ।
জানা যায়, বৈঠকের শুরুতেই হাইআতুল উলয়ার আইনি খসড়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে শোনানো হয়। এরপর বিষয়গুলো নিয়ে সবাই সংক্ষিপ্ত আলোচনা পেশ করেন।
বৈঠকে হাইআতুল উলয়ার প্রতিনিধিগণ ইউজিসির প্রতিনিধিদের কাছে নিজেদের চাহিদাগুলো তুলে ধরেন। পাশাপাশি সরকারি কোনো অনুদান ও হস্তক্ষেপ না নেয়ার বিষয়টিও স্পষ্ট করেন।
বৈঠকে আলেমগণ কওমি স্বীকৃতি ‘হাইআতুল উলয়া’র মাধ্যমেই দেয়া হবে এমনটাই দাবি জানান। আলাদা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যেন কওমি সনদের ব্যবস্থা করা না হয় এ দাবি জানান তারা।
এবিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত জাতীয় দ্বীনি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশের মহাসচিব মুফতি মোহাম্মদ আলী আওয়ার ইসলামকে বলেন, আমরা আজকের বৈঠকে আমাদের দাবি দাওয়াগুলো ক্লিয়ার করার চেষ্টা করেছি। আমাদের উদ্দেশ্য অনুদান কিংবা হস্তক্ষেপ নয় বরং শুধু এমএ’র মান- এটাই তুলে ধরেছি। পাশাপাশি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নয় ‘হাইআতুল উলয়ার’ অধীনেই যেন মান দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয় সেটিই আলোচনা হয়েছে।
ইউজিসির প্রতিনিধিদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা বলেছে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ আলেমরা যেভাবে চায় সেভাবেই যেন স্বীকৃতি দেয়া হয়। ইউজিসির সদস্যরা সেভাবেই কাজ করবেন।