সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ফিলিস্তিনের সমস্যা সমাধানে কারজাভির সাত দফা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মাদ
আওয়ার ইসলাম

ইখওয়ানুল মুসলিমিনের আধ্যাত্মিক নেতা বিশ্ববরেণ্য আলেম ড. ইউসুফ আল-কারজাভির আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত মিসরীয় বুদ্ধিজীবী। তবে বর্তমানে কাতারে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।জেরুসালেম বিশ্ব মুসলিম সমস্যা, দারিদ্র্য বিমোচনে ইসলাম, ইসলামী শরিয়তের বাস্তবায়ন, ইসলামী পুনর্জাগরণ: সমস্যা ও সম্ভাবনা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বই লিখেছেন তিনি।

জেরুসালেম, ফিলিস্তিন একটি জটিল সমস্যায় পরিণত হয়েছে। পাশ্চাত্যবাসী খৃস্টানরা তুর্কী মুসলমানদের হাত থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে ফিলিস্তিনী আরবদের দান করবে বলে ওয়াদা করলেও, পরবর্তীতে তারা চালাকি করে পাশ্চাত্যের ইহুদীদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র বানায় ফিলিস্তিনে।

আর বিতাড়িত হল, এখনও হচ্ছে, স্থানীয় মুসলমানরা। ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলেও, ফিলিস্তিনী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কোন খবরই নেই, বরঞ্চ পাশ্চাত্য এখন ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীর ও সিরিয়ার গোলান হাইটস স্থায়ীভাবে গ্রাসে এগিয়ে যাচ্ছে।

ড. কারযাভী একজন জ্ঞানী মানুষ। তিনি জেরুসালেম তথা, ফিলিস্তিনী সমস্যা সমাধানে মুসলমানদের নিকট সাত দফা কর্মসূচি দিয়েছেন তার এ খ্যাত ‘জেরুসালেম : বিশ্বমুসলিম সমস্যা’ বই-এ।

আল-আকসা মসজিদকে কেন্দ্র করে যে ‘‘ইন্তিফাদা’’ প্রতিহত-আন্দোলন শুরু হয়েছে, তাকে বেগবান করতেই এই সাত দফা। আমাদের সবারই এই সাত দফা জানা চাই। নিচে আমরা ড. কারযাভীর প্রস্তাব উপস্থিত সাত দফা তুলে ধরা হলো।

এক. মসজিদের বিপ্লব যা পরবর্তীতে ‘ইন্তিফাদা' নামে খ্যাত যা ইসরাইলকে এই মুক্তি সংস্থাকে স্বীকার করতে এবং তার সাথে আলোচনায় বসতে বাধ্য করেছে, একে আরো শক্তিশালী ও বেগবান করতে হবে। এতে সকল ফিলিস্তিনির সমর্থন- জনগণ ও কর্তৃপক্ষ এবং সকল আরব এবং মুসলমানদের সমর্থন যোগাতে হবে এবং বিশ্বের সকল মুক্তিকামী মানুষের এর প্রতি সমর্থন নিতে হবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হলো ইসরাইল। এটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বা সন্ত্রাসের রাষ্ট্র। এটি এমন রাষ্ট্র যার ভিত্তিই হলো জুলুম ও নির্যাতন, ঘরবাড়ি ধ্বংস করা এবং ব্যক্তি ও পরিবারের অধিকার নস্যাৎ করা। ফিলিস্তিনী জনগণের সামনে একটিমাত্রই পথ- তা হলো প্রতিরোধ করা। প্রত্যেক জাতিরই অধিকার রয়েছে জবরদখলকারীকে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করার।

মেনাহেম বেগীন যখন স্লোগান তুলে, ‘‘আমি লড়াই করব তাহলেই আমার অস্তিত্ব থাকবে।’’ তখন শায়খ