সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করা আলেমদের সরকারি স্বীকৃতি দেয়া হোক: হাবিবুর রহমান মিসবাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জুনায়েদ শোয়েব
বিশেষ প্রতিবেদক

গতকাল ২১ ডিসেম্বর "মানবতার নবী হজরত মুহাম্মদ সা.। রোহিঙ্গা সঙ্কট: সঙ্কটে বাংলাদেশ" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বিশেষ আলোচকের বক্তব্যে মারকাজুত তাওয়ার প্রিন্সিপাল বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ রোহিঙ্গা শিবিরে কাজ করা আলেমদের সরকারি স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানান!

তিনি বলেন, আলেমদের স্বীকৃতি কোন জরুরি বিষয় নয়। আলেমগণ স্বীকৃতির জন্যও কাজ করেন না।কিন্তু বর্তমান সময়ে রোহিঙ্গা শিবিরে এনজিওদের কাজের কারণে অন্যদিকে আলেমদের কাজ করতে না দেয়ার সুযোগে আলেমদের এতোদিনের পরিশ্রম আড়াল করে দেয়ার চেষ্টা করছে সার্থান্বেষী একটি মহল।

তাই আলেমগনের এইসব কাজগুলোকে প্রচার করতে এবং ভবিষ্যতে আলেমদের সামাজিক কাজের প্রতি আরও উদ্বুদ্ধ করতে সরকারের উচিৎ তাদের নাম সোনালি কাগজে লিপিবদ্ধ করে রাখা। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সমস্যা মোকাবেলায় আলেমদের বিশেষ অবদান স্বরূপ স্বীকৃতি দেয়া।

তিনি আরও বলেন, সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেয়া হোক বা না হোক বেসরকারিভাবে মারকাজুত তাকওয়া শিগগির তাদের সংবর্ধিত করবে। এ বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন বলেও জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সঙ্কটের বিষয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা নেই। ফলে তাদের প্রতিরোধ ক্ষমতাও নেই। নির্যাতিত হয়ে ঘর ছাড়ার ফলে তাদের কোন ভবিষ্যৎও নেই। এ অবস্থায় তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে কূটনীতির ব্যবস্থাই উত্তম হবে জানান তিনি।

অন্যদিকে রোহিঙ্গা শিবিরে এমন অমানবিক অবস্থানের ফলে তাদের মাঝে নৈতিক অবক্ষয় নেমে আসতে পারে বলে মনে করেন মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ। বলেন, আমাদের দেশের অপরাধীরা রোহিঙ্গাদের দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে মাদক চালানসহ অনেক অপরাধে জড়িয়ে ফেলতে পারে। তাই রোহিঙ্গাদের এইসব নৈতিক পদস্খলনের পূর্বেই তাদের মাঝে ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার করা দরকার।

এ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এমন সংকটে দ্বীনি শিক্ষা ব্যতীত মানুষের সভ্য থাকা সম্ভব হয় না।

তিনি বলেন, এরপরও দুয়েকটি বিচ্ছিন্ন অপরাধ ঘটতে পারে। তখন আমাদের সবার উচিৎ তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া। সাংবাদিকদের উচিৎ তাদের বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর
অপরাধ বলে চাপিয়ে না দে