শাহনূর শাহীন: মাদারাসা শিক্ষার প্রাথমিক স্তর ইবতেদায়ি শিক্ষা। ইবতেদায়ি শিক্ষার দুটি শাখা রয়েছে। এরমধ্যে একটি হলো সংযুক্ত ইবতেদায়ি শাখা অপরটি হলো স্বতন্ত্র। সংযুক্ত শাখার প্রতিষ্ঠানগুলো দাখিল মাদরাসার অন্তর্ভুক্ত থাকে।
সংযুক্ত শাখার শিক্ষক কর্মকর্তারা সরকারি বেতন স্কেলে বেতন পেলেও স্বতন্ত্র শাখার শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠার পর থেকে অধ্যবদি ন্যায্য বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত।
১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের এক অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে প্রায় ১৬ হাজার ইবতেদায়ি মাদরাসাকে রেজিষ্ট্রেশন দেয়। সে সময় একজন ইবতেদায়ি শিক্ষকের মাত্র ৫০০ টাকা ভাতা ধরা হয়।
বেতন-ভাতাসহ সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরবর্তীতে বন্ধ হয়ে যায়। সারাদেশে এখন প্রায় ১০ হাজারের অধিক ইবতেদায়ি মাদরাসা রয়েছে। এসব মাদরাসায় প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষক কর্মরত আছেন। শিক্ষার্খী রয়েছে প্রায় ১০ লক্ষেরও অধিক।
ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোকে জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশ স্বতন্ত্র মাদরাসা শিক্ষক সমিতি’র অবস্থান ধর্মঘট থেকে নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।
ইবতেদায়ি শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘বাংলাদেশ স্বতন্ত্র মাদরাসা শিক্ষক সমিতি’র সভাপতি আলহাজ্ব কাজী রুহুল আমিন চৌধুরী এ বিষয়ে আওয়ার ইসলামকে বলেন, সেই ১৯৯৪ সালে রেজিষ্ট্রেশন দেয়ার সময় শিক্ষকদের ভাতা ধরা হয় ৫০০ টাকা।
এরপর থেকে প্রায় ২৪ বছর পার হয়ে গেলেও বাড়েনি শিক্ষকদের বেতন ভাতা। মেলেনি অন্যান্য সুযোগ সুবিধা। তিনি অভিমানের সুরে বলেন, একজন প্রাইমারি শিক্ষকের মতোই ইবতেদায়ি শিক্ষকরা সমান পরিশ্রম করেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদান করেন।
অথচ মাস শেষে একজন প্রাইমারি শিক্ষক বেতন পান ২২-৩০ হাজার টাকা, অপরদিকে একজন ইবতেদায়ি শিক্ষকের বেতন মাত্র ৫০০ টাকা। বর্তমান সময়ের জীবনমানের চাহিদায় এই সামান্য অর্থ শিক্ষক হিসেবে এটা সম্মনীর পরিবর্তে অসম্মান ছাড়া আর কিছুই না।
কাজী রুহুল আমিন বল