সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘দাদা বলতেন, তখন দেওবন্দের শাইখুল হাদিস থেকে চৌকিদার সবাই ওলি ছিলেন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

[জামিয়া দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র ‘ماہنامہ البلاغ মাহনামা আল-বালাগ’ এ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত বিশ্বনন্দিত আলেম, স্কলার আল্লামা তাকি উসমানির আত্মজীবনী আওয়ার ইসলামে ধারাবাহিক প্রকাশ হচ্ছে ইনশাল্লাহ।

এ বিষয়ে আল্লামা তাকি উসমানি আনুষ্ঠানকিভাবে আওয়ার ইসলামকে ভাষান্তর করে প্রকাশের অনুমতি দিয়েছেন। গত ২ জানুয়ারি জামিয়া দারুল উলুম করাচির তাখাসসুস ফিল ইফতার শিক্ষার্থী, আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের শুভাকাঙ্ক্ষি উমর ফারুক ইবরাহীমীর মাধ্যমে আল্লামা তাকি উসমানি ও পত্রিকা কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মজীবনী ‘ইয়াদে’ অনুবাদের অনুমতি চাওয়া হলে তারা খুশি মনে রাজি হন এবং আওয়ার ইসলামকে ধন্যবাদ জানান বাংলাভাষায় ইসলামের প্রচার ও প্রসারের জন্য।

আল্লামা তাকি উসমানির নতুন ধারাবাহিক আত্মজীবনী “یادیں ইয়াদেঁ ” মাহনামা আল-বালাগে সফর ১৪৩৯ হিজরি, নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি মাস থেকে। আওয়ার ইসলামে লেখাটি প্রতি শনিবার ও বুধবার প্রকাশ হবে ইনশাল্লাহ। আজ ছাপা হলো ৩য় কিস্তি। অনুবাদ করেছেন মাওলানা  উমর ফারুক ইবরাহীমী।]

পূর্বপ্রকাশের পর: আমার দাদা মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াসিন রহ.দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার একবছর পূর্বে ১২৮২হিজরি সনে জন্মগ্রহণ করেন। সে হিসেবে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের প্রায় সমবয়স্ক। দাদাজানের এই উক্তি আমি আব্বাজানের মুখে অসংখ্যবার শুনেছি, তিনি বলতেন- ‘আমি দারুল উলুম দেওবন্দের সেই স্বর্ণযুগ দেখেছি, যখন দেওবন্দের শাইখুল হাদিস থেকে নিয়ে চৌকিদার পর্যন্ত সবাই সাহেবে নিসবত আল্লাহর ওলি ছিলেন।’

আমাদের দাদা হজরত রশিদ আহমাদ গাংগুহি রহ. এর খাস মুরিদ ছিলেন এবং হজরত আশরাফ আলী থানবি রহ. এর সহপাঠী ছিলেন। জীবনভর তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের ফার্সি ভাষা এবং গণিতের শিক্ষক ছিলেন।কয়েক যুগ ধরে দেওবন্দের ছাত্ররা তাঁর শিষ্যত্ব লাভে ধন্য হয়েছে। তাঁর সম্পর্কে আব্বাজান রহ. ‘মেরে ওয়ালিদ মাজিদ’ নামক কিতাবে বিশদ বিবরণ দিয়েছেন।

শৈশবকালে আব্বাজানের ইলমি, আমলি উৎকর্ষতার মূল্যায়নক্ষমতা আমার কতটুকুইবা ছিলো? বস্তুত সেটা আজও নেই! তবে এতটুকু তো অবশ্যই ছিলো যে, আমার ছোট