সিরিয়ার মানবিজ শহরে হামলা চালানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি কড়া সতর্কতা উচ্চারণ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। তুর্কি সীমান্ত থেকে মানজিব ৪০ কিলোমিটার এবং দেশটির পূর্বাঞ্চল আফরিন থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এই আফরিনেই কুর্দি মিলিশিয়াদের হয়ে অভিযান চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।
তিনি বলেছেন, ‘লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন ওলিভ ব্রাঞ্চ চলবে। সন্ত্রাসীদের (কুর্দি যোদ্ধা) হাত থেকে আমরা মানজিব মুক্ত করব। ইরাক সীমান্তে একজন সন্ত্রাসীও থাকা পর্যন্ত আমাদের যুদ্ধ চলবে।’
মূল বিষয় হলো- আফরিনের মতো মানজিব শুধু কুর্দি অধ্যুষিত নয়। বরং সেখানে জাতিগত (যেমন-আরব, সারকাসিয়ান ও চেক) বৈচিত্র্যতা রয়েছে। ইউফ্রেটিস নদীর পূর্বাঞ্চলে সিরিয়া সীমান্তে কুর্দিদের সাথে মার্কিন বাহিনী কী উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করছে, সিরিয়ার মানজিব শহরে তুরস্ক একটি হামলা চালালেই সে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। অঞ্চলটি আরবরা নিয়ন্ত্রণ করে এবং সেখানে রয়েছে শক্তিশালী জাতিগত বন্ধন।
মধ্যযুগ ও সুলতান সালাহ-আল-দীনের সময়ের ওপর ভিত্তি করে এই অঞ্চলের কুর্দিদের ঐতিহাসিকভাবে কুর্দি বলে পরিচিত। কিন্তু বাস্তবে বৃহৎ আরব জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কুর্দিদের একীভূত হওয়ার কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায় না।
মানবিজে কুর্দিরা যেটুকু সফলতা অর্জন করেছে তা নস্যাৎ করা তুরস্কের জন্য যে তেমন কঠিন হবে না এবং তা করতে গেলে মার্কিন বাহিনী যে সংঘর্ষে জড়িয়ে যাবে তা সহজেই বলা যায়। যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে।
আফরিনের দখল নেওয়া তুরস্কের উদ্দেশ্য নয়। বরং আঙ্কারার উদ্দেশ্য হলো-কুর্দিরা পূর্ব ভূমধ্যসাগর থেকে রজোভা প্রদেশ পর্যন্ত যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে তা ভণ্ডুল করে দেওয়া। পশ্চিমা বিশ্লেষকরা মনে করেন, আফরিনে তুর্কি অফিযান কষ্টসাধ্য হবে। আর তুরস্কও বুঝতে পারছে, আফরিন দখল করে তাদের লাভ নেই। কারণ এটি অনিরাপদ পার্বত্যাঞ্চল, সেইসঙ্গে কুর্দি বিদ্রোহী অধ্যুষিত।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত ক্যাভুতোগ্লু শুক্রবার বলেছেন, ‘কুর্দিদের হঠানোর পর আমরা ওই অঞ্চলকে তাদের প্রকৃত মালিক তথা সিরিয়ার কাছে হস্তান্তর করব। অর্থাৎ এর মাধ্যমে তিনি আরবদের বুঝিয়েছেন।
রাশিয়ার পরিকল্পিত খেলা এখানে ব্যাপক কাজ দিচ্ছে। বিশেষ করে, বন্ধুত্বের পরিভাষা অনুযায়ী তুরস্ক, আফরিনের কুর্দি ও দামেস্কের কাছে একà