আওয়ার ইসলাম: ২০১৯ সালের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব অনুষ্টিত হবে ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব হবে ২৫, ২৬, ২৭ জানুয়ারি। এছাড়া মাওলানা সাদ নির্ধারিত দিল্লির নিজামুদ্দিনে বাংলাদেশের সাথীদের জোড়ের যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল তা বাতিল করেছে কাকরাইল মারকাজের শুরা।
কাকরাইল মারকাজ থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চিঠিতে তাবলিগের মুরব্বি ও শুরার সদস্য মাওলানা রবিউল হক, মাওলানা মুহাম্মদ হোসেন, মাওলানা ফারুক, মাওলানা জুবায়ের আহমদ, মাওলানা মুজাম্মিলুল হক, মাওলানা ওমর ফারুক ও মাওলানা মোশাররফ হোসাইনের স্বাক্ষর রয়েছে।
এর আগে মাওলানা সাদ কান্ধলভি আগামী বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেছিলেন ১১, ১২ ও ১৩ জানুয়ারি ও ১৮, ১৯ ও ২০ জানুয়ারি।
একুশে বইমেলার সব বই দেখতে ও কিনতে ক্লিক করুন
বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে আসা দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের জিম্মাদার মাওলানা সাদ কান্ধলভি ইজতেমায় না যেতে পারায় কাকরাইল মারকাজে বসেই ২০১৯ সালের ইজতেমার ফয়সালা দিয়ে যান।
তিনি ২০১৮ সালের বিশ্ব ইজতেমার ১ম পর্বের প্রথম দিন রাতে কাকরাইলে এক বৈঠকে তারিখ নির্ধারণ করেন।
সে বৈঠকে তাবলিগের মুরব্বি ও শুরার সদস্য মুহা. শিহাবউদ্দীন নাসিম, সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, প্রকৌশলী মো. গিয়াস উদ্দিন ও মাওলানা জিয়া বিন কাসেম উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
কাকরাইল মারকাজ থেকে গতকাল পাঠানো চিঠিতে জানা হয় আগামী ইজেতেমার আগে ৫ দিনের জোড় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে ৭ থেকে ১১ ডিসেম্বর ২০১৮। মাসিক মশওয়ারার তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৩-২৪ মার্চ ২০১৮।
চিঠিতে বলা হয়, প্রতি বছরের মতো বিশ্ব ইজতেমা শেষের দিকে দুআর আগে সব জেলা ও খিত্তার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আগামী ইজতেমা ও জোড়ের তারিখ উপস্থাপন করা হলে সবাই সম্মাতি দেন।

চিঠিতে বলা হয়, ইতোপূর্বে কাকরাইল থেকে যে চিঠি নিজামউদ্দিনের জোড়ের উদ্দেশ্যে যাওয়া ইত্যাদি বিষয় নিয়ে উমুরে বাংলাদেশ নামে আপনাদের কাছে পৌঁছেছে তা মূলত শুরার সাথীদের সম্মতিতে প্রেরণ করা হয়নি।
বরং ইজতেমা চলাকালীন মাত্র তিনজন শুরার সাথী ইজতেমা ছেড়ে কাকরাইল চলে আসেন এবং তারা বাকি সাতজন শুরার