সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সমালোচনা নামক ব্যাধিকে দূর করা সময়ের ব্যাপার মাত্র’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডকটম আয়োজিত অনলাইন মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট সম্মেলনে আলোচক হিসেবে এসেছিলেন নতুন ডাকের সম্পাদক বিশিষ্ট লেখক শাকিল আদনান। অনুষ্ঠানে তিনি মিডিয়া ও মিডিয়ার সম্ভাবনা, সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিটি বিষয়ে আলোচনা করেন।

গুরুত্বপূর্ণ সে আলোচনা তুলে ধরেছেন আওয়ার ইসলামের প্রতিবেদক কাউসার লাবীব

প্রথমেই আওয়ার ইসলামকে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি সময় উপযোগী সম্মেলন আয়োজন করার জন্য।আশা করি এমন মানসম্মত সম্মেলন উপহার দেওয়ার ধারাহিকতা আওয়ার ইসলাম রক্ষা করবে।

আমরা অনেকেই সমালোচনাকে প্রতিবন্ধক হিসেবে দেখি বা দেখছি। কিন্তু আজ নতুনভাবে উঁকি দেওয়া এ সমস্যা কী আসলেই খুব বড় সমস্যা?

মাদরাসায় বাংলা চর্চা নিষিদ্ধ, কর্তৃপক্ষ জানতে পারলে ছাত্র বহিষ্কার , শিক্ষার্থীর আসবাব পত্র চেক করে বই বাজেয়াপ্ত করা, তাকে হেনস্থা করা ইত্যাদি সমস্যার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরে আসিনি।

ওই সমস্যাগুলোকে যদি আমরা ডিঙ্গিয়ে আসতে পারি, তাহলে সমালোচনা নামক এ ব্যাধিকেও আমরা দূর করতে পারবো। এটা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

শাকিল আদনান বলেন, সমালোচনার এ সমস্যাটি দুই কারণে সৃষ্টি হয়েছে।

এক. অল্প বয়সী ছেলেমেয়ে বা কম শিক্ষিত ও কম বু্দ্ধিমান কিছু লোক নতুন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে যুক্ত হচ্ছে। আর এসেই বুঝুক আর না বুঝুক নিজের একটি মত ও দলকে শ্রেষ্ঠ মনে করছে। তার দৃষ্টিতে বিরোধীদের সমালোচনায় মেতে উঠছে।

দুই. আমাদের সামাজিক আর শিক্ষাঙ্গন থেকে ছেলেমেয়েগুলো বিদ্যার ঝুলি পরিপূর্ণ করলেও বড়দের সম্মান আর ছোটদের স্নেহ করার অনুভবশক্তি হারাচ্ছে দিনদিন।

তাই কখন কার কীভাবে কথা বলতে হবে? কাকে কীভাবে সম্মান দেখাতে হবে? কার কথার সমালোচনা কীভাবে করতে হবে? তা জানি না বা জানার আগ্রহও নেই।

তাই আমাদের মনে একে অপরের বিরুদ্ধে জন্ম হচ্ছে গোড়ামি এবং বিদ্বেষ। আর এ থেকেই প্রতিবাদ, সংশোধন বা সমালোচনার ভাষা উঠছে অশ্রাব্য। তাই সামাজিক ও শিক্ষাঙ্গন থেকেই আমাদের শ্রদ্ধাবোধ শিখতে হবে শেখাতে হবে।

তিনি বলেন, আমি সমালোচনাকে আমাদের পথচলার অন্তরায় বা বাধা বলে মনে করি না। আমাদের পথচলার অন্তরায় হলো ভালো কন্টেন্ট। আমরা যা করছি তাà¦