সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


যৌবন তাড়িত এক যুবকের প্রতি ড. আলী তানতাবী’র চিঠি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: শায়েখ আলী বিন মুস্তফা আত-তানতাবী
অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল আলীম

যৌবনের তাড়নায় কিংকর্তব্যবিমূঢ় এক যুবক ছাত্রের প্রতি শায়েখ ড. আলী তানতাবী’র চিঠি- “হে আমার ছেলে!”

আসসালামু আলাইকুম। সংশয় ও লজ্জা নিয়ে তোমার গোপন সংকটের কথা জানিয়ে আমার কাছে চিঠি লিখেছ। আচ্ছা, তুমি কি ভাবছ, তুমি একাই শিরা-উপশিরায় যৌবনের উত্তাপ অনুভব করছ এবং দুনিয়াতে এই সমস্যা শুধু তোমার একার; আর কারো নয়? বরং এটা যৌবনের রোগ।

তোমার মত এই বয়সে যে-ই উপনীত হয়, তার-ই পুঞ্জিভূত শান্ত আগুন জ্বলে ওঠে এবং শিরা-উপশিরায় তার তাপ অনুভব করে। দুনিয়া তার চোখে আরেক দুনিয়ায় পরিণত হয়। তার চোখে বদলে যায় মানুষও। তখন আর সে নারীকে রক্তমাংসের মানুষ হিসেবে দেখতে পায় না। নারীর মানবীয় বৈশিষ্ট্যের কথা সে বিস্মৃত হয়; ভুলে যায় তার দোষত্রুটিও।

একটি আকাঙ্খার মধ্যে শত আকাঙ্খা, আর একটি আরজুর মধ্যে শত আরজু সমবেত হয়। স্বভাবজাত কল্পনায় সে নারীকে এমন কাপড় পরিধান করায়, যা তার সব দোষত্রুটি ঢেকে দেয়। আড়াল করে সব অসম্পূর্ণতা; তাকে প্রকাশ করে শুধু কল্যাণ ও পরিপূর্ণ সৌন্দর্যের প্রতিমারূপে।

সে তাকে নিয়ে সেই খেলাই খেলতে থাকে, যে খেলা একজন মূর্তিপূজারী পাথর নিয়ে খেলে। পূজারী নিজেই সেটা ছেঁটে মূর্তি বানায়, তারপর সেটাকে রব মনে করে পূজতে থাকে। মূর্তিপূজারীর জন্য পাথরের মূর্তি প্রভু; আর প্রেমিকের জন্য নারী কল্পনার প্রতিমা।

এগুলো সবই স্বাভাবিক ও যৌক্তিক; তবে যা সবসময় স্বাভাবিক ও যৌক্তিক থাকে না, তা হল এই যে, তরুণ যুবক এসব অনুভব করে পনেরো ষোলো বছর বয়সে; কিন্তু তারপরও শিক্ষাব্যবস্থা তাকে বিশ-পঁচিশ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থান করতে বাধ্য করে।

এই বছরগুলোতে তরুণ কী করবে? যৌবনের দহন, দেহের উষ্ণতা ও আবেগ-উত্তেজনার বিচারে জীবনের কঠিনতম সময়। কী করবে সে? এখানেই সমস্যাটা।

আল্লাহর নিয়ম আর মানুষের প্রকৃতি তাকে বলবে, বিয়ে করো। তবে সামাজিক পরিবেশ ও শিক্ষাব্যবস্থা তাকে বলবে, তিনটা থেকে যেকোন একটা পথ গ্রহণ করো; যার সবগুলো ক্ষতিকর।

কিন্তু তুমি চতুর্থ পথ, যেটাই একমাত্র কল্যাণ, অর্থাৎ- বিবাহ থেকে বিরত থাকো। হয়তো তুমি আপন মনে নিজের স