রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ ও আসীম মুনির দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত গুলশান থানা জমিয়তের কাউন্সিল, নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত ৮ মাসে হাফেজ হওয়া ১০ বছরের আল-আমীনকে সংবর্ধনা ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, ২৬ দিন পর দেশে ফিরলো দুই প্রবাসীর লাশ লেবাননে হামলা বন্ধ করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু মাদারীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধি দল ইসলামপন্থিদের শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে: আমিরে মজলিস

২০মিনিটে লণ্ডভণ্ড মেলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শেষ মুহূর্তের বিকিকিনিতে ব্যস্ত সবাই। হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। এলোমেলো হয়ে গেল চারপাশ। মাত্র ২০ মিনিটের বৃষ্টিতে পাল্টে গেল চিরচেনা রূপ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্ধশতাধিক স্টল।

রাতে বৃষ্টি হওয়ায় অনেক প্রকাশকই গতকাল বইমেলায় এসেছেন বেশ আগেভাগে। তারাই জানালেন, বৃষ্টিতে প্রায় পনেরোটির মতো প্রকাশনা সংস্থার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি হয়েছে সময় প্রকাশন, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স ও প্রথমা প্রকাশনের।

এ ছাড়া ক্ষতি হয়েছে সালাউদ্দিন বইঘর, ইন্তামিন, আল আমিন একাডেমি, নবযুগ, বাঙালি, সংবেদ, গ্রন্থকুটির, সন্দেশ, আফসার ব্রাদার্স, প্রিয়মুখ এবং জার্নিম্যান বুকসের। সময় প্রকাশনের প্রায় ৩০০, প্রথমার ২৫০, সংবেদের ১০০-এর বেশি, পাঞ্জেরীর ৩০০টি, ইন্তামিনের ৫০টি এবং গ্রন্থকুটিরের ৩০টির মতো বই বৃষ্টিতে ভিজেছে বলে জানালেন স্টলের প্রকাশনা কর্মীরা।

প্রথমার মেলা ব্যবস্থাপক মো. ইউনুস সমকালকে আক্ষেপ করে বললেন, দামি বই-ই বেশি ভিজে গেছে। জার্নিম্যান বুকসের বাদশা মিয়া জানান, ডিসপ্লেতে থাকা বইগুলোই বেশি ভিজেছে। বাতাসে এগুলোর ওপর দেওয়া পলিথিন সরে গিয়েছিল।

সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ দমকা হাওয়া শুরু হয়। এ সময় হালকা বৃষ্টিও পড়তে থাকে। বৃষ্টির পানি থেকে বাঁচাতে স্টলের সামনের ডিসপ্লে থেকে বই সরানোর চেষ্টা শুরু করেন প্রকাশনা সংস্থার কর্মীরা।

কিন্তু মুহূর্তেই শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। প্রচণ্ড হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টিতে আর শেষরক্ষা হয়নি। বইমেলার প্রায় সব স্টলই কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্ধশতাধিক স্টল। তবে প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হয়নি। এ সময় মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়।

দুর্ঘটনা রোধে বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করে দেয় মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি। ফলে অন্ধকার হয়ে পড়ে মেলা প্রাঙ্গণ। স্টলকর্মীদের মোবাইলের আলো আর মোমবাতি জ্বালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত স্টল গোছাতে দেখা যায়।

বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে দর্শনার্থীরা স্টলের আড়ালে ও খাবার দোকানে ভিড় করে। অনেকেই কোনো আশ্রয় না পেয়ে ভিজতে ভিজতে বাসার পথ ধরেন। এ সময় অনেকেই সদ্য কেনা বইগুলো বুকের আড়ালে রেখে বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা চালান।

রাত পৌনে ৯টার দিকে বৃষ্টি কমে এলে দর্শনার্থীরা মেলা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে শুরু করে। সব মিলিয়ে ২০ মিনিট ধরে বৃষ্টি হয়। এতেই লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় মেলা।

টিএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ