মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

এবার দলীয় কর্মীকেই পিটিয়ে রক্তাক্ত করল ইবি ছাত্রলীগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বুধবার বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবনের সামনে আইন চত্বরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের এক কর্মীকে বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

মারধরের স্বীকার ওই ছাত্রলীগ কর্মীর নাম আশিক আরাফাত। সে বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র ও সাধারন সম্পাদক গ্রুপের কর্মী। ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা তাকে বেধড়প পিটিয়েছে বলে জানিয়েছেন আহত সেই ছাত্রলীগ কর্মী। মারধরের পরে তার বন্ধুরা আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বেলা ১২টার আশিক আরাফাত বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন ভবন থেকে আইন চত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় ছাত্রলীগ কর্মী রিজভী আহমেদ, জুলকার নাইম, লিংকন আহমেদ, গোলাম মোস্তফা, রাব্বি, বিল্লাল, বহিরাগত নয়নসহ ১০-১২ জন আশিকের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা করে। তারা আশিককে রড ও লাঠিশোটা দিয়ে উপর্যপুরি মারতে থাকে।

এক পর্যায়ে আশিক রাস্তায় পড়ে গেলে তারা চলে যায়। পরে আশিকের বন্ধুরা আহত অবস্থায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে ভর্তি করে। হামলাকারীরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিনের অনুসারি কর্মী বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

এদিকে আহত আশিক মারধরের ঘটনায় লোক-প্রশাসন বিভাগের সভাপতি বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। লিখিত অভিযোগ আশিক উল্লেখ করেন, আমি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কোন কথা ছাড়াই বহিরাগত নয়ন, লোক প্রশাসনের বিল্লাল, ইংরেজি বিভাগের রিজভী, সালাম, বাংলার মোস্তফা, অর্থনীতির লিংকন, জুয়েল আমাকে রড দিয়ে মারধর করে। আমাকে রাস্তায় অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

আমি বিশ্ববিদ্যারয় প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার তদন্তপূর্বক দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

 

 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ