মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

কোটা সংস্কারকামীদের সাথে পুলিশে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসসহ (বিসিএস) সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনাসহ ৫ দফা দাবিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ে রওয়ানা দিয়েছে চাকরি প্রত্যাশী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিশাল মিছিল।

এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে মিছিল করে শিক্ষার্থীরা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে রওয়ানা হয়।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া হয়েছে বিক্ষোভকারীদের।
পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। এসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভকারী তিন ছাত্রকে আটক করে পুলিশ।

মিছিলটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট চত্বরে গেলে আন্দোলনকারীদের আটকে দেয় পুলিশ। এসময় সেখানেই রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।
মিছিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

মিছিল থেকে তারা ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘দাবি মোদের একটাই, কোটার সংস্কার চাই’, ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, ‘কোটা সংরক্ষণ বন্ধ কর, মেধাবীদের সুযোগ দাও’, ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দাবি হলো, কোটা ৫৬% থেকে কমিয়ে একটি সহনশীল মাত্রায় তথা ১০%-এ নিয়ে আসা। বর্তমান ৩০ লক্ষ বেকারের এ বাংলাদেশে কোটা সংস্কার অত্যন্ত জরুরি। এজন্য সবাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোটার একটা যৌক্তিক সংস্কার দাবি করছেন।’

তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কারের দাবিতে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আজ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিবো। এটা আমাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ। পরবর্তী কর্মসূচি আমরা সেখান থেকে ঘোষণা করবো।’

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে-
১. কোটা ব্যাবস্থা সংস্কার করে ৫৬% থেকে ১০% এ নিয়ে আসা;
২. কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে শূন্য থাকা পদসমূহে মেধায় নিয়োগ দেয়া;
৩. কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা নয়;
৪. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা নির্ধারণ করা এবং
৫. চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যাবহার না করা।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ