বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ ‘ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ’ গঠন: আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৫ অক্টোবর ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সিরিয়াকে নিয়ে দুই পরাশক্তির মাথাব্যথা বাড়ছেই!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৈয়দ ফয়জুল আল আমীন
কবি, গবেষক ও সাংবাদিক

সাম্প্রতিক বাস্তবতা পর্যালোচনায় বলা যায়, সিরিয়াকে কেন্দ্র করে স্নায়ুযুদ্ধের পর এবার বিশ্বের দুই পরাশক্তি রুশ-মার্কিন উত্তেজনা চরমে ওঠেছে।

সোভিয়েত সমাজব্যবস্থার পতনের পর একক পরাশক্তি হিসেবে সাময়িকভাবে পর্যুদস্ত হলেও শিগগিরই নিজের স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্ব-মূর্তিতে আবির্ভূত হয় রাশিয়া। বর্তমানের রাশিয়া গণতন্ত্র ও সোভিয়েততন্ত্রের মিশ্রণÑপুতিনতন্ত্র। যদিও গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্রের এই স্বরূপ নিয়ে সরব আলোচনা চলছে। এই তো সেদিন চতুর্থবারের মতো তিনি একরকম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে পুতিনতন্ত্রের নজির স্থাপন করেছেন।

অপরদিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বৈরতন্ত্রের দাঁত দেখাচ্ছেন। স্বভাব-চরিত্রে বিষয় বৈশিষ্ট্যে দুজন যে একই জিনিসÑতা বুঝতে কারও বাকি নেই। আসলে দুজনই জাতে মাতাল তালে ঠিক। মার্কিন নির্বাচনে এবং প্রাথমিক সময়ে ওই দুজনের গলায় গলায় দোস্তি দেখেছে গোটা বিশ্ব। তবে কি এটি ছিল দুই পরাশক্তির গতানুগতিক দ্বন্দ্বের ক্ষেত্রে একটি নিপাতনে সিদ্ধ ঘটনা?

হতে পারে, পুতিন চাইছিলেন মার্কিন নেতৃত্বের গতানুগতিকতায় পরিবর্তন। তা হয়েছে। কিন্তু বিপাকে পড়েছেন ট্রাম্প। তার নির্বাচনে গোপন রুশ সহযোগিতার অভিযোগে তদন্ত এখনো চলছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে কপালে দুঃখ আছে!

মার্কিন পরাশক্তির অহমে আঘাত হানতে দিতে চান না বলেই ট্রাম্প সিরিয়ায় দৃশ্যত মার্কিন নীতির পরাজয়ের জন্য দায়ী করেছেন ওবামা-হিলারিকে। কিন্তু যখন সিরীয় সরকারের মধ্যে আরেকবার রাসায়নিক হামলার অভিযোগ ওঠেছিল ট্রাম্প তখন মার্কিন বাহিনীকে সরকারি বিমান ঘাঁটিতে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এখনকার হামলাটিও সেই হামলার অনুরূপ বলেই গণমাধ্যমে এসেছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, ৬ এপ্রিল রাত থেকে ৭ এপ্রিল সকাল পর্যন্ত রাসায়নিক গ্যাস হামলায় অন্তত ৭০ জন নিহত হয়েছে। বাশার বাহিনীর বিষাক্ত সারিন রাসায়নিক গ্যাস হামলায় তারা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘হোয়াইট হেলমেট’। যদিও সিরিয়া অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করেছে। একই সাথে, ঘাঁটিটি মূলত রুশ বাহিনী ব্যবহার করে বলে বার্তা সংস্থার খবরে জানা গে