আওয়ার ইসলাম : কোটি কোটি ব্যবহারকারীর কারণে বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্বে অন্যতম প্রভাবশালী ও শক্তিশালী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হলো ফেসবুক। তবে শক্তিশালী মাধ্যম হওয়ায় এর ব্যবহার নিয়েও আছে বিস্তর সমস্যা। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা-কাণ্ডের পর তথ্যের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ফেসবুক। অনেকেই নিজের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিচ্ছেন। এরই মধ্য অনেকেই নিজ প্রোফাইলের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।
কী করছি, কী ভাবছি, তা ফেসবুকের মাধ্যমে যেমন বন্ধুদের জানিয়ে দিচ্ছি, তেমনি জেনে যাচ্ছে ফেসবুকও। এর ভালো দিকের সঙ্গে আছে নেতিবাচক দিকও। ফেসবুকে সংরক্ষিত এবং শেয়ার করা তথ্য আপনার ক্ষতির কারণও হতে পারে। যে তথ্যগুলো শেয়ার সম্পর্কে সতর্ক হওয়া উচিত, তার একটা ধারণা ব্যবহারকারীদের থাকা উচিত। এতে সহজেই বাঁচা যাবে হ্যাকারদের আক্রমণের কবল থেকে।
১. জন্মদিন গোপন রাখুন
আপনার জন্মতারিখ ও জন্মস্থানের মতো ব্যক্তিগত তথ্যগুলো ফেসবুকে সবার জন্য উন্মুক্ত করে না দেওয়াই ভালো। উন্মুক্ত থাকলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য জানা সহজ হয়ে যায়। সাইবার দুর্বৃত্তদের কুনজর থেকে বাঁচতে একটু সতর্কতা আপনাকে অবলম্বন করাই উচিত।
২. ফোন নম্বর নয়
ব্যক্তিগত তথ্যগুলো ফেসবুকে দেওয়ার আগে কিছু কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখা উচিত। ফেসবুকে ইউজারের নাম এবং ঠিকানা থেকে সহজেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যাবতীয় তথ্য হাতে পেয়ে যান হ্যাকাররা। এর মধ্য মোবাইল নম্বর শেয়ার করলে তো আর রক্ষা নেই। ফোন কল পেতে পারেন হ্যাকারদের কাছ থেকেও।
৩. বেশি বন্ধু পাতিও না
ফেসবুকে অনেকেই বেশি বন্ধু বানাতে পছন্দ করেন। সমস্যা বেশি বন্ধু পাতানো নিয়েও। অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক রবিন ডানবার বলছেন, অনেকের সঙ্গে পরিচয় হতেই পারে। তবে একসঙ্গে ১৫০ জন বন্ধুর সঙ্গেই একজন মানুষ সম্পর্ক রজায় রাখাটা সংগত। ডানবার দেখেছেন, ফেসবুকে তাঁর বন্ধুদের মধ্যে ৪ দশমিক ১ শতাংশ সম্পূর্ণভাবে ডানবারের ওপর নির্ভরশীল। ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ ব্যবহারকারীর মুখ দেখা যায় কেবল তাঁদের প্রয়োজনের সময়।
রবিন ডানবার মনে করেন, এমন অপ্রয়োজনীয় বন্ধু এড়িয়ে চলাই ব্যবহারকারীদের জন্য ভালো।
৪. সন্তান/পরিবারের ছবি
আপনার প্রিয় শিশুর ছবি পোস্ট করার আগে একটু চিন্তাভাবনা করা উচিত। বিশেষ করে আপনার সন্তান কোথায় যায়, কোন স্কুলে পড়ে প্রভৃতি স্পর্শকাতর তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা উচিত নয়। শিশুর স্কুলের ইà¦