সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের কত খরচ হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১০ লাখ রোহিঙ্গার কারণে দেশের বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে। অর্থনৈতিক খরচের পাশাপাশি বেড়েছে অবকাঠামো-পরিবেশ উন্নয়ন, পরিবেশ রক্ষাসহ সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার ব্যয়ও।

বিশাল জনগোষ্ঠীকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের প্রশাসনিক ব্যয়ও বেড়েছে। এতে অর্থনীতিতে বাড়তি চাপে পড়ছে বাংলাদেশ।

দেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের চিহ্নিতকরণ-সংক্রান্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার আশ্রয় ক্যাম্প।

পাহাড় ও বন কেটে স্থাপন করা হয়েছে অবকাঠামো। এ কারণে উজাড় হয়েছে কক্সবাজারের প্রায় পাঁচ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি। এতে ৩৯৭ কোটি ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৩ টাকার সমপরিমাণ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে বারবারই বলা হচ্ছে, রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের আর্থিক ব্যয় নেই। তাদের ব্যয় তা বিভিন্ন দেশ, দাতাগেষ্ঠী, দাতা সংস্থা, জাতিসংঘ ও ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে পাওয়া ত্রাণের ওপরই চলছে। এ সব ত্রাণসামগ্রী সরকারের ত্রাণ মন্ত্রণালয় বা সকারের ত্রাণ ভাণ্ডারেও জমা হয় না।

এ সব জমা করার জন্য জেলা প্রশাসকের ব্যবস্থাপনা ও তদারকিতে কক্সবাজারে স্থাপিত হয়েছে বিশেষ গুদাম। এগুলো বিতরণ ও তদারকি করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যেই আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে রোহিঙ্গাদের জন্য চার শ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী আবাসন গড়তে নোয়াখালীর ভাসানচরে আবাসন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে একনেক।

এ প্রকল্পের আওতায় ভাসানচরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামে একহাজার ৪৪০টি ব্যারাক ও ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হবে।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু ব্যয় প্রায় ৭০০ ডলার। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ব্যয় থাকলেও বৈধপথে আয়ের কোনও উৎস নেই। সেই হিসাবে এই ১০ লাখ রোহিঙ্গার পেছনে সরকারের বছরে ব্যয় হতে পারে কমপক্ষে প্রায় ৬০ কোটি ডলার। এটি অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা।

এ প্রসঙ্গে ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, তাদের আশ্রয় দেওয়া, খাদ্য নিশ্চিত করার ব্যà§