সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


ইসলামী সংগীত, নাশীদ কিংবা গজল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সাইফ সিরাজ
কবি ও গীতিকার

বিষয়টা নিয়ে দেখছি বেশ সরগরম ফেবু পাড়া। সেই সঙ্গে এই সরগরমের আগুনে ঘি ঢালছেন কিছু লোক; যারা তীব্র চেষ্টা করে যাচ্ছেন পপুলারিটির জন্য কিন্তু ব্যর্থ হচ্ছেন কোয়ালিটির বাজারে।

সেই সঙ্গে পোশাক ভিডিওগ্রাফী আর শিল্পীদের স্খলন নিয়েও কথা বলছেন অনেকেই। এই কথা যারা বলছেন তাদের অতীত বা বর্তমানও খুব ইখলাস আর ইসলাহে ভরপুর এমনটাও মনে হচ্ছে না তাদের ভাষা আর সমালোচনার পদ্ধতি দেখে।

যদিও ইসলামি সংগীত, ভিডিওগ্রাফি, সাউন্ড ইফেক্ট, শিল্পিদের পোশাক ইত্যাদি নিয়ে বহু কথা বলার আছে। বলার যোগ্য লোকও আছেন। বাট যারা বলছেন তাদের অধিকাংশই সমাধান হেদায়েতের চেয়ে নিজের ক্ষোভ আর সক্ষমতা প্রকাশই করছেন শতভাগ।

ইনিয়ে বিনিয়ে এক ওকে খুঁচা দিচ্ছেন। বিরোধ বাড়াচ্ছেন। দিন শেষে নিজেও ইনফ্রিওরিটি কমপ্লেক্সে ভুগছেন।

প্রিয় ভাই, এই দেশটা খুব ছোট। এই দেশের আলেমদের সংখ্যাটাও মোট জনসংখ্যার চেয়ে খুব ছোট। সেই আলেমদের মধ্যে ইসলামি সংগীত চর্চাকারী অংশটা আরও ছোট। চর্চাকারীদের মধ্যে কোয়ালিটি নিয়ে কাজ করার অংশটি আরও আরও ছোট।

সেই ছোট অংশের মধ্যে ইসলাহ, ইখলাস আর আত্মনিয়ন্ত্রিত অংশটি একেবারে নাই এর কাছাকাছি। এমতাবস্থায় একটি ফতোয়া দিয়ে, খুঁচিয়ে, টার্গেট করে, বকাবাদ্যি করে ফলাফল লাভের আশা করা বৃথাই। বরং ক্ষতস্থান বড় হবে সুস্থতার পথ দীর্ঘ হবে।

ফতোয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞগণ কথা বলবেন। আমার একটা উপলব্ধি শুধু বলবো। ফতোয়ার ভাষা আর ইলামেন্ট মিলিয়ে ফতোয়াটি ক্ষোভাক্রান্ত মনে হয়েছে। ওয়াল্লাহু আলামু। তবে এই ধরণের ফতোয়ার ফলে মানুষের ইসলাহের চেয়ে বিগড়ানো বেশি হবে। ফতোয়ার প্রচারের পদ্ধতি আর প্রচারকদের ভাষাই তার জন্য যথেষ্ট।

ব্যক্তিগতভাবে আমি এই অঙ্গনের সঙ্গে জড়িত। ফলে যতটা প্রতিক্রিয়া একজন শ্রোতা হিসেবে দিতে পারতাম ততটা দিতে পারছি না। তবে, পোশাক, আচরণ, আমল এই তিনটা বিষয়ে নিয়মিত কথা বলে যাচ্ছি। ফলাফলও পাচ্ছি।

নবরবির ইউসুফ বিন মুনীর, কলরবের বদরুজ্জামান, আহমদ আব্দুল্লাহ, আরিফ আরিয়ানদের সঙ্গে নিয়মিতই কথা বলছি আরেকটু পজেটিভ চেঞ্জের ব্যাপারে। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে পোশাক নিয়ে সিনিয়র একজনকে কানে কানে শাসনের অনুরোধ করেছি।

এসে গেল যাদুকরী মাদরাসা ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার

আর এই যে ঠিক ইত্যাদি। আচ্ছা ওয়াজ à¦