আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি কয়েকটি ছোটদল নিয়ে জাতীয় ঐক্যের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতা, প্রবীণ আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ ড. কামাল হোসেন। বর্তমানে গণফোরামের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক তিনি। জাতীয় ঐক্য ঘোষণার পর থেকে বাংলাদেশের আলোচিত নামে পরিণত হয়েছে ড. কামাল।
মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ড. কামালকে নিয়ে দেশের একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এ বিজ্ঞাপনটির শিরোনাম ড. কামাল হোসেনের ১০ ডিগবাজি।
আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকমের পাঠকদের জন্য সেই বিজ্ঞাপনটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অদ্ভুত চরিত্র গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আশির্বাদে রাজনীতিতে উত্থান তাঁর। কিন্তু আজকাল আওয়ামী লীগ তাঁর চক্ষুশূল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবারই প্রথম নয়, কামাল হোসেনের আদর্শ পরিবর্তনের ইতিহাস বাংলাদেশের বয়সের সমান।
ড. কামাল হোসেন যে কার ইশারায় নড়েন আর কেন বারবার ডিগবাজি খান তা রাজনৈতিক মহলের মুখরোচক আলোচনার বিষয়। আসুন জেনে নিই মিডিয়ার প্রিয় কিন্তু অজনপ্রিয় এই রাজনীতিবিদের ডিগবাজির ইতিহাস।
ডিগবাজি নাম্বার এক
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় কথা হয়েছিল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ড. কামাল হোসেন একসঙ্গে ভারতে যাবেন। একাত্তরের সময় ব্যারিস্টার আমীর উল ইসলাম ড. কামালকে বিষয়টি অবহিত করেছিলেন। ড. কামাল গাড়ি থেকে নেমে আত্মীয়ের বাসায় গেলেন। এর পরদিন থেকে তিনি লাপাত্তা। এক পর্যায়ে লন্ডনে শ্বশুড়বাড়ি চলে গেলেন ড. কামাল।
অথচ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু যখন দেশে ফিরলেন, ড. কামালকে সঙ্গে নিয়েই ফিরলেন। স্বাধীন বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু প্রথমে ড. কামালকে আইন মন্ত্রণালয় এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিলেন। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে না থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ছিল ড. কামালের প্রথম ডিগবাজি।
ডিগবাজি নাম্বার দুই
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের আগে ড. কামাল হোসেন হঠাৎ করেই বিদেশে চলে গিয়েছিলেন। কোন অফিসিয়াল ট্যুর কিংবা রাষ্ট্রীয় কাজে নয় ড. কামাল বিদেশে গিয়েছিলেন ব্যক্à¦