বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ।। ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৬ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
শেরপুরে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচির মৃত্যু ভূমিকম্প মোকাবিলায় জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে বাধা নেই: অ্যার্টনি জেনারেল শাপলা চত্বরের মামলায় সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ রাত ১টার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা ‘বাবরি মসজিদ ভাঙা উচিত হয়নি’—এমন মত দেশদ্রোহিতা নয়: বোম্বে হাইকোর্ট যুক্তরাষ্ট্রে মসজিদ ও ইসলামি স্থাপনায় হামলা বেড়েছে ১৮৩ শতাংশ হবিগঞ্জের সংঘর্ষে উদ্বেগ, রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিতের আহ্বান জমিয়তের মিরপুরে দেয়াল ধসে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি ইসলামী আন্দোলনের

বীর প্রতীক তারামন বিবি আর নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বীর প্রতীক তারামন বিবি ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহী ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬১ বছর।

দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসকষ্ট, কাশি, ফুসফুসসহ নানা রোগে ভুগছিলেন তিনি।

একাত্তরের এ বিরাঙ্গনা তারামন বিবিকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন আত্মীয়-স্বজনরা।

তারামন বিবি গত নভেম্বর থেকেই শারীরিক অবস্থার অবনতি নিয়ে ঢাকা সিএমএইচে ভর্তি হন। অবশ্য তার কয়েকদিন পরেই তিনি নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

তারামন বিবি ১৯৫৭ সালে কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার নাম তারামন বেগম হলেও তিনি তারামন বিবি নামেই পরিচিত।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১নং সেক্টরের হয়ে তারামন বিবি জীবন বাজি রেখে মুক্তিবাহিনীদের রান্না বান্না, তাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখা, পাকবাহিনীর খবর সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের তথ্য দিতেন এবং সম্মুখ যুদ্ধে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করায় তার অনেক অবদান রয়েছে।

স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। এরপর অবশ্য দীর্ঘদিন তার কোনো খোঁজ করেনি কেউ।

১৯৯৫ সালে তাকে নতুন করে খুঁজে বের করা হয়। তখন তাকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় অনেক লেখালেখি হয়। একই বছর তার হাতে তুলে দেয়া হয় বীরত্বের পুরস্কার। পরিচিতি আর সুখ্যাতি পেলেও তারামন বিবি নিভৃতেই বসবাস করতেন স্বামী আর দুই সন্তান নিয়ে।

আজ দুপুর ২টায় তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ