শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘সকাল সকাল কেন্দ্রে গিয়ে অধিকার প্রতিষ্ঠার সুযোগকে কাজে লাগান’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে গিয়ে দেশে ইনসাফ, শান্তি ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে শামিল হওয়ার জন্য উদাত্ত্ব আহ্বান জানিয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ’র মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী।

তিনি বলেন, আজ দেশের মানুষের নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই। স্বাধীনতা বলতে কিছু নেই। অধিকার নিয়ে কথা বলা তো দূরের কথা, দেশের মানুষ যে ভাল নেই- এই কথা বলার অধিকারও যেন আমরা হারিয়ে ফেলেছি। আমরা গর্ব করে বলে থাকি, আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। অথচ দীর্ঘ দিন ধরে দেশের মানুষ নিজেদের শাসক কে হবে, সেটা নির্ধারণ করতে পারছে না। জগদ্দল পাথরের মতো এক দুঃশাসন দেশের মানুষের বুকের উপর যেন চেপে বসেছে।

আল্লামা কাসেমী বলেন, আগামী কাল জাতীয় নির্বাচন। একটা নির্বাচন দেশ কারা শাসন করবে, সেটা নির্ধারণের জন্য জনগণের হাতে সুযোগ এনে দেয়। কিন্তু গত নির্বাচনের মতো কালকের নির্বাচনেও আরেক দফা মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে ক্ষমতা নবায়নের মরিয়া চেষ্টা লক্ষ্য করছি আমরা। মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে নানা আয়োজন নানা ষড়যন্ত্র চলছে। দেশের মানুষ সব বুঝতে পারছেন। এতে মানুষ চরমভাবে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠছেন।

তিনি বলেন, আগামী কালকের নির্বাচনে অধিকার প্রতিষ্ঠার সহজ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। গণমানুষকে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সচেতন ও সোচ্চার হতে হবে। ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে নিজেদের দেশ ও ভাগ্যকে ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে থাকলে আগামীতে জাতি এক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে। একে একে আমাদের সব কিছু কেড়ে নিবে ষড়যন্ত্রকারী ও আধিপত্যবাদিরা।

প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেন, আপনারা জনগণের খাদেম এটা মাথায় রেখে আল্লাহর ওয়াস্তে নিরপেক্ষভাবে আইন প্রয়োগ করুন। আমরা আপনাদের উপর থেকে আশা ছাড়তে চাই না। আপনারা এই দেশেরই মানুষ। অন্যায়ভাবে নিজের দেশের মানুষের উপর হাত তুলবেন না। নির্বিগ্নে মানুষকে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিন।

মনে রাখবেন, দুনিয়ার জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। আল্লাহ সব কিছুই দেখছেন এবং তাঁর দরবারে অবশ্যই একদিন আমাদের সকলকে কঠিন বিচারের মুখোমুখী হতে হবে।

এ পর্যায়ে পবিত্র কুরআন-হাদীসের উদ্ধৃতি দিয়ে আল্লামা কাসেমী বলেন