শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ।। ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ব্যর্থ করে দিতে পারে ইসরায়েল: মার্কিন গোয়েন্দাসংস্থা। বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান গাজীপুরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিকেএম মিডিয়া সেলের আয়োজনে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ইঞ্জিন বিকল হয়ে ফেনীতে আড়াই ঘণ্টা আটকা মেঘনা এক্সপ্রেস মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিকাজ: জীবিকার পাশাপাশি ইবাদত বড় ছেলে হত্যার ঘটনায় ছোট ছেলের নামে বাবার মামলা হাতিরঝিলের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন করা হবে: মীর শাহে আলম পরিত্যক্ত কূপ থেকে ছাগল তুলতে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

২০১৮ সালে বিশ্ববাসী ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চলে গলো আরো একটি বছর। এ ২০১৮ সালে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার বিশ্ববাসী। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, সুনামি আর দাবানলে বিপর্যস্ত হয় লাখো মানুষ। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই এমন বিপর্যয় বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

এশিয়া ও ইউরোপের দাবদহ- দাবদহের কারণে প্রাণহানিও কম নয়। এশিয়ার বেশকটি দেশে সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। জুলাইয়ে জাপানে মারা যায় ৮০ জন। মে মাসে পাকিস্তানের করাচিতে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়। কানাডার কুইবেকে দাবদাহে মৃত্যু হয় ৭০ জনের।

যুক্তরাষ্ট্রের ঘূর্ণিঝড়- ১৯৬৯ সালের পর, ৭ অক্টোবর সবচেয়ে বড় ঘূর্ণিঝড় মাইকেলের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয় ফ্লোরিডাসহ অ্যালাবামা, জর্জিয়া, ভার্জিনিয়া ও ক্যারোলাইনা রাজ্য।

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্প, সুনামি- ২৮ সেপ্টেম্বর এ বছরের সবচেয়ে বড় দুর্যোগের মুখে পড়ে ইন্দোনেশিয়া। সুলাওয়াসি দ্বীপে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পের পর সুনামিতে প্রাণ হারায় দুই হাজারের বেশি মানুষ।

২১ ডিসেম্বর সুন্দা প্রণালীর উপকূলে ক্রাকাতাও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের পর সুনামিতে মৃতের সংখ্যা চার শতাধিক। ৫ আগস্ট লমবক দ্বীপে ভূমিকম্পে ৫৫৫ জনের মৃত্যু হয়। গৃহহীন হয় প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ।

অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রিসে দাবানল- ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলে প্রাণ গেছে ১০৪ জনের। ৮ নভেম্বর দাবানল ক্যাম্প ফায়ার থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে পুড়ে যায় এক লাখ ৫৩ হাজার একর এলাকা। গ্রিসের এথেন্সে দাবানলে মারা যায় শতাধিক। নিখোঁজ হয় শত শত।

এশিয়ার প্রাকৃতিক দুর্যোগ- সেপ্টেম্বরে ফিলিপাইনে টাইফুন মংখুতের আঘাতে একশ জনের মৃত্যু হয়। ১৬ নভেম্বর, ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলে ঘূর্ণিঝড় গজের আঘাতে প্রাণ হারায় ৬৩ জন।

গৃহহীন হয় প্রায় চার লাখ মানুষ। কেরালার ১শ বছরের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণ হারায় সাড়ে তিনশ মানুষ। গৃহহীন ৮ লাখ। ভূমিধসে মৃত্যু হয়, ১৮৬ জনের। ২ ও ৩ মে উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান ও পাঞ্জাবে ধূলিঝড় ও বজ্রপাতে মৃত্যু ১২৭ জন। জুলাইয়ে জাপানে বন্যা- ভূমিধসে প্রাণ যায় দুইশো মানুষের। লাওসে বাঁধ ধসে মারা যায় ৩ শতাধিক।

পাপুয়া নিউগিনির ভূমিকম্প- পাপুয়া নিউগিনিতে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণ হারায় অন্তত ১৬০ জন।

বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, বৈশ্বিক উষ্ণতা এখনই নিয়ন্ত্রণ না করা হলে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার শেষ সুযোগও হাতছাড়া করবে বিশ্ববাসী। আর এতে বিশ্বের মানুষ হুমকির মুখে পড়বে। দাবদাহে মারা পড়বে কোটি কোটি মানুষ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ