হামিম আরিফ: প্রতিবছরের মতো এবারের ইজতেমা জানুয়ারিতে না হওয়ার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে। যদিও আলেমগণ আশা প্রকাশ করছেন দ্রুত পরিস্থিতি পাল্টে পূর্ব নির্ধারিত তারিখ ২৮ জানুয়ারিতেই ইজতেমা করা যাবে।
মাওলানা সাদ কান্ধলভীর আমির ও বিতর্কিত বয়ান ইস্যুতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া দীনি ও দাওয়াতে বিভক্তির পর বিশ্ব ইজতেমা নিয়েও তৈরি হয়েছে আশঙ্কা।
কাকরাইলের ব্যবস্থাপনায় ইজতেমার পাশাপাশি মাওলানা সাদপন্থীরাও চাচ্ছেন আলাদা করে ইজতেমা করবেন। এ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় রয়েছে প্রশাসন।
সর্বশেষ সিদ্ধান্তের জন্য আগামী ১৫ জানুয়ারি ভারতের দেওবন্দ যাচ্ছে তাবলিগের উভয় পক্ষের একটি প্রতিনিধি দল। তারা মাওলানা সাদের বিষয়ে দারুল উলুম দেওবন্দের সর্বশেষ অবস্থান জানবেন। সেখান থেকে তারা ফিলে এলে তারপর অবস্থা বুঝে ইজতেমার সিদ্ধান্ত।
নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। ১৯৬৭ সালে শুরুর পর একবারে তিন দিনব্যাপী ইজতেমা হয়ে এলেও দিন দিন অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় ২০১১ সাল থেকে তিন দিন করে দুই ভাগে ছয় দিনে ইজতেমার আয়োজন করা হয়।
ভারতের নিজামুদ্দিনের মুরব্বি মাওলানা সাদ কান্ধলভীর বেশ কিছু বক্তব্য নিয়ে তাবলিগে বিভক্তি দেখা দিয়েছে। দারুল উলুম দেওবন্দসহ উলামায়ে কেরাম তার বক্তব্যকে ভুল প্রমাণ দিলেও সেটি মানতে নারাজ তার পক্ষের অনুসারীরা। তাই বাংলাদেশে তারাও আলাদাভাবে কাজ করতে অনড়।
কিন্তু মাওলানা সাদের বিভ্রান্তিকর বক্তব্য নিরসন না হলে তা বাংলাদেশেও ছড়াবে এবং একসময় এটি ভয়ঙ্কর রূপ নেবে এ ভয়ে উলামায়ে কেরাম তাদের কার্যক্রম চালাতে দিতে চান না।
এসবের জের ধরেই গত ১ ডিসেম্বর টঙ্গীর মাঠে অবস্থানকারী উলামা ও তাবলীগের সাথীদের ওপর হামলা চালায় মাওলানা সাদপন্থীরা। এতে ইসমাইল মণ্ডল নামে একজন সাথী নিহত হন এবং আহত হন কয়েক হাজার সদস্য ও মাদরাসা শিক্ষার্থী।
আহতদের মধ্যে গত সপ্তাহে সামসুদ্দিন বেলাল নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়।
২০১৮ সালে মাওলানা সাদ বাংলাদেশে এসেও ইজতেমায় অংশ নিতে না পেরে ফিরে যান। তবে তিনি কাকরাইল মসজিদে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে পরবর্তী ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ করেন এ বছরের ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি।
অন্য দিকে বিশ্ব ইজতেমা থেকে তারিখ নির্ধারণ করেন ১৮ থেকে ২০ জানুয়ারি এবং à