মুহাম্মদ তাওহীদুল ইসলাম
মাদিতুন নাছর, কায়রো থেকে
মিসরের কায়রোতে গত ২২ জানুয়ারি শুরু হয়েছে ‘মারিদুল কাহেরা আদদুওয়ালি- ২০১৯’ (কায়রো আন্তর্জাতিক বইমেলা)। নিউ কায়রোর আততাজাম্মুউল খামিস সিটিতে আল-হাইয়াতুল আম্মাহ আলমিসরিয়্যাহ লিল কিতাব (জেনারেল মিসরীয় বুক অর্গনাইজেশন) কর্তৃকআয়োজিত এ বছরের মেলা চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
আরব বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও প্রাচীনতম এই বইমেলার এবার চলছে ৫০ পর্ব। এ উপলক্ষে পালিত হচ্ছে আল-ইউবিল আযযাহাবী (GOLDEN JIBILEE)। প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আসসিসি এই মেলার উদ্বোধন করেন।
মেলার বেশ কয়েকটি স্টল পরিদর্শন করেন ৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন মিসরের ইমামুল আকবার শায়খুল আযহার আহমাদ তায়্যিব ও সাংস্কৃতিক মন্ত্রী ডা. ইনাস আব্দুদ দায়েমসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ ৷
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত খোলা থাকে ৷ এ বছর মেলায় প্রবেশ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ মিসরি পাউন্ড ৷ এছাড়াও বিশেষ ব্যক্তিদের জন্য রয়েছে বিনামূল্যে প্রবেশের বিশেষ কার্ড ৷
আজ থেকে ৫০ বছর পূর্বে ১৯৬৯ সালে কায়রো শহরের সহস্রাব্দপূর্ত অনুষ্ঠানে তৎকালিন সাংস্কৃতিক মন্ত্রী ডা. ছারওয়াত ওকাশী (১৯২১-২০১২) কায়রোর এই বইমেলা প্রবর্তন করেন এবং বইমেলার সর্বপ্রথম পর্বের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন বিখ্যাত লেখিকা ডা. সুহির আলকালমাভী (১৯১১-১৯৯৭)৷
এবারের বইমেলাটি এই মহান ব্যক্তিদ্বয়ের নামে উৎসর্গ করা হয়েছে ৷ আর স্পন্সর হিসেবে রয়েছে জামিয়াতু দুয়ালিল আরাবিয়্যাহ (আরব রাষ্ট্র লীগ) ৷
মেলার স্থান: সূচনা পর প্রথম বছর এই মেলার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল গীজা শহরে ৷ তারপর ধারাবাহিকভাবে একাধারে ৪৮বছর এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে মাদীনাতুন নাসরের কায়রো ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার গ্রাউন্ডসে।
তবে এ বছর সেখান থেকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে মারকাযু মিসর লিল মা‘আরিদিদ্দাওলিয়্যাহ
(Egypt International Exhibition Center) তে ৷
সদ্য নির্মিত মনোরম এই স্থায়ী স্থাপনাটি শহরের ব্যস্ততম এলাকার বাইরে নিরিবিলি পরিবেশে অবস্থিত ৷ চারটি বিশাল সুুউচ্চ হলরুম নিয়ে অবস্থিত এই সেন্টারটি ৷ এর প্রদর্শনী এলাকা আয়তন ৪৫০০০ বর্গমিটার ৷
হলের বাইরে বিশাল চত্তর ও দর্শনার্থীদের উভভোগ করার জন্য রয়েছে মুগ্ধকর ফুলের বাগান ৷ বাহারি রংঙ্গের ফুলগুলো যেন বইপ্রেমী মানুষদের স্বাগত জানাচ্ছে ৷ চত্তরের মাঝখানে পানির ফোয়ারা মেলার সৌনà§