শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ।। ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৭ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ফেনীর মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর ইন্তেকাল, জানাজা বিকাল ৩টায় হরমুজে জাহাজ লক্ষ্য করে ছোড়া ইরানের সব ড্রোন ভূপাতিতের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী যুব আন্দোলনের ঈদ পুনর্মিলনী ও থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নতুন দায়িত্বে মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ এমপি গুজরাটে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শতাধিক মুসলিম বাড়ি রাশিয়ার জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে আমিরে মজলিস প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলার পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জাতীয় শিক্ষক ফোরামের দিন-রাত দুই শিফটে কাজ করবেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা: ডিএনসিসি প্রশাসক বিভ্রাটের প্রায় একঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার

ভারতীয় যুদ্ধবিমান নামিয়ে পাকড়াও পাইলট, দাবি পাকিস্তানের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কৌশিক পানাহি: নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে কাশ্মিরের পাকিস্তান অংশে হামলা চালিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার ভোররাতের ওই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর এবার দু’টি ভারতীয় যুদ্ধবিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করা হয়েছে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে। তাদের দাবি, ভারতীয় বিমানবাহিনীর এক পাইলটকেও আটক করেছে পাকিস্তানি বিমান সেনারা। সূত্র– আল-জাজিরা ও দ্য ওয়াল ডটইন।

পাক রেঞ্জার্স-এর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর টুইট করে জানিয়েছেন, “বুধবার সকালেও ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুটি বিমান নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করে। পাকিস্তানি বিমানসেনারা সেই বিমান দুটিকেই গুলি করে ভূপাতিত করেছে। একটি বিমান পাকিস্তানি অধিকৃত কাশ্মীরে ও অন্যটি ভারতীয় সীমানার মধ্যে পড়েছে। ভারতীয় বায়ুসেনার এক পাইলটকেও আটক করেছে পাকিস্তানি বিমান সেনারা।”

অন্যদিকে ভারতের গণমাধ্যম দাবি করছে, আজ (বুধবার) ভোরে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘনের চেষ্টা করে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান এফ-১৬। কিন্তু ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদস্যদের তৎপরতায় সেটি পিছু হটতে বাধ্য হয়। যদিও পালানোর সময় পুঞ্চ ও রাজৌরি সেক্টরে বোমাবর্ষণ করে ওই যুদ্ধবিমান। ভারতীয় বিমানবাহিনীর সূত্রের দাবি, পাকিস্তানি অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ার পর প্রায় ৩ কিলোমিটার দূর থেকে গুলি করে নামানো হয়েছে ওই বিমানকে।

এ ঘটনার ব্যাপারে পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র ড. মুহাম্মদ ফয়জল জানিয়েছেন, “বুধবার পাকিস্তানি বিমানসেনারা নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আঘাত হেনেছে। এটা ভারতের আক্রমণের প্রত্যাঘাত নয়। পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানকে বলা হয়েছিল, ভারতীয় সেনা ও মানুষকে নিশানা না করে অন্য জায়গায় আঘাত হানতে। এই যুদ্ধবিমান পাঠানোর প্রধান কারণ ছিল ভারতকে দেখানো, পাকিস্তান সব ধরনের আক্রমণের মোকাবিলা করার জন্য তৈরি।”

এই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ইসলামাবাদ কোনও রকমের যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় না। কিন্তু যদি বাধ্য করা হয়, তাহলে আমরা তৈরি। এটা দেখানোর জন্যই দিনের আলোয় নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করেছে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান। ভারত যেভাবে রাতের অন্ধকারে কোনও রকম প্রমাণ ছাড়া পাকিস্তানে আক্রমণ চালিয়েছে, আমরা সেই রাস্তায় হাঁটতে চাই না। আমরা শান্তি চাই। সেই সুযোগই আমরা ভারতকে দিচ্ছি।”

কেপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ