মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

সফরে নিরাপদ থাকতে যে আমল করবেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আবদুল্লাহ তামিম ♦

সফর বা ভ্রমণ মানুষের জীবনের সঙ্গে জড়িত একটি বিষয়। প্রতিটি মানুষেরই ঘর থেকে বের হতে হয়। যেতে হয় বিভিন্ন জায়গায়। বিভিন্ন প্রয়োজনের তাগিদে যেতে হয় বিদেশেও।

রাসুল সা. তাই ভ্রমণেরও কিছুু নিয়ম কানুন দোয়া আদব শিখিয়েছেন আমাদের। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেন, (হে রাসুল!) আপনি বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, কিভাবে তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। (সুরা আনকাবুত-২০)

নিরাপদে সুন্দরভাবে সফর বা ভ্রমণ সম্পন্ন করতে মুসলিম উম্মাহকে সফরের দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন রাসুর সা.।

ভ্রমণে বের হলে বাহনে চড়ার পর রাসুল (সা.) এ দোয়া পড়তেন, ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। সুবহানাল্লাজি ছাখ্খারালানা হা-যা ওয়া-মা- কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন কালিবুন।’

অর্থ: আল্লাহর নামে শুরু করছি, যিনি অত্যন্ত দয়ালু ও নেহাত করুণাময়। তিনি পূতপবিত্র ওই সত্তা যিনি বাহনকে আমার অধীন করে দিয়েছেন। আমাদের কাছে তাকে আয়ত্তে আনার ক্ষমতা ছিল না। অবশ্যই আমরা আমাদের প্রভুর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী।

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইলাইকা তাওয়াঝ্ঝাহতু ওয়া বিকা ই’তাসামতু; আল্লাহুম্মাকফিনি মা আহাম্মানি ওয়া মা লা আহতাম্মু বিহি; আল্লাহুম্মা যাওয়্যেদনিত তাক্বওয়া ওয়াগফিরলি জামবি; ওয়া ওয়াঝ্ঝিহনি লিলখাইরি আইনামা তাওয়াঝ্ঝাহতু।

অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার দিকেই দৃষ্টি ফিরাই। তোমার নিকটই আশ্রয় চাই। হে আল্লাহ! আমার গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ কাজকর্মে সাহায্যকারী হিসাবে তুমিই যথেষ্ট। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তাকওয়ার ভূষণে ভূষিত কর। আমার গোনাহকে ক্ষমা কর। আমি যেখানেই যাই তুমি আমাকে কল্যাণের দিকে ধাবিত কর।

بِسْمِ اللَّهِ, الْحَمْدُ لِلَّهِ, سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ, الْحَمْدُ لِلَّهِ, الْحَمْدُ لِلَّهِ, الْحَمْدُ لِلَّهِ, اللَّهُ أَكْبَرُ, اللَّهُ أَكْبَرُ, اللَّهُ أَكْبَرُ, اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ.
(حديث حسن/ رواه ابو داود و الترمذي عن علي بن ربيعة رحمه الله)

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, সুবাহানাল্লাযী সাখখারা লানা হাযা ওয়ামা কুন্না লাহু মুক্বরিনীন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুন ক্বালিবু~ন। আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, à¦