বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ।। ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
কওমি মাদরাসাবিরোধী অপপ্রচারে করণীয় নির্ধারণে কাল হাইআতুল উলয়ার জরুরি সভা বন্যার্তদের পাশে মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল, দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসেবা কওমি মাদরাসার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা, অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তির দাবি হেফাজতের মিসওয়াকের গুরুত্ব ও ফজিলত জুলাই সনদের আলোকে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ছয় দফা সংস্কার প্রস্তাব রাতের মধ্যে দেশের ১৩ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা  মাদরাসায় শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা নিশ্চিতে বেফাকের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা নেত্রকোনায় সমাজসেবা ভবনের লিফটে আটকা পড়া ৭ শিক্ষার্থীকে উদ্ধার সরকারি হজ গাইড নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি, আবেদন করা যাবে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

শত্রুতার জেরে চোখে টেস্টার ঢুকিয়ে অন্ধ করে দিলো যুবককে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: শত্রুতার জেরে বেল্লাল হোসেন ওরফে মিলন (১৮) নামে এক যুবকের চোখে টেস্টার ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১০ নং গোড়াই ইউনিয়নের বানিয়ারচালা রাজাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আজ সোমবার মিলনের মা জাহানারা বেগম ও বড় বোন নাছরিন বলেন, বানিয়াচালা রাজাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মামুন (২৩), মাজেদ দেওয়ানের ছেলে আলামিন (১৯) ও দাড়িয়াপুর গ্রামের লুলু হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৩৫) গংদের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধ ছিল। এ জন্য প্রতিশোধ নিতে মামুনের নেতৃত্বে মিলনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলেন আসামিরা।

গত ১২ এপ্রিল বিকালে মামুন, আলামিন ও কবির মমিননগরে অবস্থিত নিউটেক্স গ্রুপের সামনে আলিম মুনসির বাসায় নিয়ে যান মিলনকে। বাসার ছাদে নিয়ে মিলনের হাত-পা বেঁধে প্রথমে টেস্টার ঢুকিয়ে দুটি চোখ অন্ধ করে দেন মামুন, আলামিন ও কবির। এরপর মিলনকে লাঠি ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

মিলনের পরিবার আরো অভিযোগ করে বলে, সে সময় ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য আসামিরা মিলনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে পরিবারকে ফোন করে জানায়, সে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়েছে। আপনারা হাসপাতালে যান।

মিলনের পরিবার হাসপাতালে আসার আগেই তারা পালিয়ে যায়। মিলনের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা জাহানারা বেগম, বোন নাছিনসহ পরিবারের লোকজন হাসপাতালে এসে জানতে পারেন, মিলনকে অন্ধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে মির্জাপুর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর আসামি মামুন ও আলামিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি কবির পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এসআই আরো জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আসামি পক্ষ ১০৭ ধারায় তিনটি মামলা করেছেন বাদীর বিরুদ্ধে। পুলিশ মিলনের পরিবারকে কোন হয়রানি করছে না বলে দাবি করেন তিনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ