আওয়ার ইসলাম: এলাচি মসলা হিসেবে সুপরিচিত। এটি শুধু রান্নায় মিষ্টি স্বাদ ও অনন্য গন্ধই দেয় না, এটি প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এলাচির অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা জানেন না অনেকেই। আসুন জেনে নেই এলাচের স্বাস্থ্য উপকারিতা বিষয়ে।
১. পরিপাকের উন্নতি ঘটায়: এলাচির বায়ুনাশকারী গুণ আছে বলে পরিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। এটি পেটফাঁপা কমায় এবং শূলবেদনা নিরাময়ে সাহায্য করে। এটি পিত্তরসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে চর্বি ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের পরিপাকে সাহায্য করে। এজন্যই এলাচি পরিপাক তন্ত্রের সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশয়, এসিডিটি, বদহজম এবং বিভিন্ন ধরণের পাকস্থলীর সংক্রমণ এর আদর্শ সমাধান হিসেবে কাজ করে।
পরিপাকের সমস্যা সমাধানে শুধু এলাচি খেতে পারেন, এলাচি গুঁড়া খাবারে ছিটিয়ে দিতে পারেন অথবা এলাচির চা পান করতে পারেন। এলাচির তীব্র মিষ্টি গন্ধ থাকে বলে বেশিরভাগ মানুষ এমনকি শিশুরাও পছন্দ করে এলাচি।
২. নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে: যদি আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ থাকে এলাচি ব্যবহার করে দেখুন। এটি ব্যাকটেরিয়া নাশক উপাদানে ভরপুর থাকে বলে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে। এছাড়াও এর শক্তিশালী গন্ধ নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করতে পারে। এলাচি বীজের তেল ও নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারে।
প্রতিবার খাওয়ার পর এলাচি মুখে নিয়ে চাবাতে পারেন। এলাচ চা পান করতে পারেন অথবা দিনে দুই বার উষ্ণ এলাচ চা দিয়ে কুলকুঁচি করে নিতে পারেন। এটি কার্যকরী মুখ পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করবে।
৩. ক্ষুধার উন্নতি ঘটায়: এলাচ উষ্ণ পরিপাক টনিক হিসেবে কাজ করে বলে বদহজম, পেটফাঁপা এবং এসিডিটির সমস্যা মোকাবেলায় সাহায্য করে ক্ষুধামন্দা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পরিপাক রসের নিঃসরণের উন্নতি ঘটায়।
যদি আপনার ক্ষুধা কমে যায় তাহলে স্যুপে এলাচের গুঁড়া মিশিয়ে নিতে পারেন অথবা কয়েকটি এলাচি চিবিয়ে খেতে পারেন।
৪. ডিটক্সিফাই হতে সাহায্য করে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় এলাচি ডিটক্সিফিকেশনের মাধমে শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে। এটি ম্যাংগানিজের ও চমৎকার উৎস বলে এনজাইম উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ময়লা সাফ করতে ও ফ্রি র্যাডিকেল ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন এককাপ এলাচ চা পান করলে আপনার শরীর সুস্থ ও পরিষ্কার থাকবে।
৫. কিডনির স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য à¦