আওয়ার ইসলাম: বিশ্বব্যাংকের সহজ ব্যবসা করার সূচক বা ইজ অব ডুয়িং বিজনেস তালিকায় শীর্ষ ২০ দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ।
ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে এ উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
কোনো দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নিয়মকানুন ও তার বাস্তবায়ন কতটুকু সহজ বা কঠিন তার ওপর বিশ্বব্যাংক এ তালিকা তৈরি করে।
গত শুক্রবার বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০টি দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, ভারত, পাকিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, জিবুতি, জর্ডান, কেনিয়া, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, মিয়ানমার,
নাইজেরিয়া, কাতার, সৌদি আরব, তাজিকিস্তান, টোগো, উজবেকিস্তান ও জিম্বাবুয়ে। তবে কোন দেশ কতটা বেশি উন্নতি করেছে, তা প্রকাশ করেনি বিশ্বব্যাংক।
২৪ অক্টোবর এ প্রতিবেদন পূর্ণাঙ্গরূপে প্রকাশ করবে বিশ্বব্যাংক। দেশের ইংরেজি নামের আদ্যক্ষর অনুযায়ী এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
বিদেশি বিনিয়োগ করার আগে দেশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের এ সূচকটিতে বিনিয়োগ আসে। এ সূচকে উন্নতি করার জন্য বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) গত কয়েক বছর ধরে কাজ করে আসছে।
বাংলাদেশ এ সূচকে এখন ১৯০ দেশের মধ্যে ১৭৬। এবার বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন প্রকাশের পর এ অবস্থানের উন্নতি হবে।
মূলত মোট ৩টি বা ১০টি ভিত্তির নির্দেশকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংক ডুয়িং বিজনেসের র্যাঙ্কিং বা ক্রমতালিকা তৈরি করে।
এগুলো হলো ব্যবসা শুরুর অনুমোদন, ভবন নির্মাণের অনুমতি, বিদ্যুৎ সংযোগ, ভূমি নিবন্ধন, ঋণপ্রাপ্তি, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, কর প্রদান, বৈদেশিক বাণিজ্য, চুক্তির বাস্তবায়ন ও দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া। এসব প্রক্রিয়ায় জটিলতা, ব্যয় বেশি হওয়া ও দীর্ঘসূত্রতা একটি দেশের পিছিয়ে থাকার কারণ।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা প্রক্রিয়াকে সহজ করতে বেশ কিছু সংস্কার করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া ও ঋণপ্রাপ্তির দিক দিয়ে উন্নতি করেছে। নতুন কোম্পানি নিবন্ধনে বাংলাদেশ খরচ কমিয়েছে।
ডিজিটাল সনদে ফি বা মাশুল কমানো হয়েছে। ঢাকায় নতুন সংযোগের জন্য নিরাপত্তা জামানতের পরিমাণ অর্ধেক করেছে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলো জনবল নিয়োগ ও ডিজিটালাইজেশনের জন্য বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছà§