বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইরানে ফের হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট: অর্থমন্ত্রী ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, নিখোঁজ ৩ দুপুরের মধ্যে ৭ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা তুচ্ছ ঘটনায় রণক্ষেত্র ভৈরব, ওসিসহ আহত অর্ধশতাধিক বানিয়াচংয়ে ইসলামী সংগ্রাম পরিষদের ৫১ সদস্যের কমিটি গঠন জৈন্তাপুর উপজেলা জমিয়তের সভাপতির ইন্তেকাল, কেন্দ্রীয় কমিটির শোক ‘আদর্শবান ও প্রশিক্ষিত কর্মীরাই একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি’ শুক্রবার মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে খুতবা দেবেন যে দুই শায়খ বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি হজমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা

যুক্তরাজ্যে ইংরেজিতে প্রকাশিত প্রথম বইটি ছিলো মুসলিম লেখকের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ড. ইয়াসির কাদরি।।

সত্যি অবাক হওয়ার বিষয়, যুক্তরাজ্যে সর্বপ্রথম প্রকাশিত ইংরেজি বইটি একটি আরবি বইয়ের অনুবাদ।

জানা যায়, গুটেনবার্গ তার বাইবেল প্রকাশের দু’দশক পরে ১৪৭৬ সালে উইলিয়াম ক্যাক্সটন ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেয়ের কাছে ইংল্যান্ডের প্রথম মুদ্রণযন্ত্র তৈরি করেছিলেন। দ্য ডিক্টস অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স প্রকাশ করেছিলেন সর্বপ্রথম।

এই বইটি মূলত একজন মুসলিম লেখক মুবাশির বি ফাতিক (মৃত্যু: ১১০০ খ্রিস্টাব্দ) লেখা গ্রন্থ। ফাতিক মিশরের একজন বড় লেখক ও গবেষক ছিলেন। مختار الحكم ومحاسن الكلم যার ইংরেজি অনুবাদ করা হয় (A Selection of Wisdoms and Beautiful Sayings) নামে। 

এ বইটির বেশিরভাগ আলোচনা বিভিন্ন কল্পকাহিনী এবং পৌরাণিক কাহিনীতে ভরপুর ছিলো। তারপরও এ বইটি শত শত কপি দেশজুড়ে দার্শনিক ও বিজ্ঞজনের কাছে সমাদ্রিত ছিলো। সেই সঙ্গে সর্বাধিক সংকলন ছিল এ বইটির।

No photo description available.

১২৫০ সালে, বইটি আরবি থেকে স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন ক্যাসটাইলের আলফোনসো এক্স, যিনি মুসলিম সভ্যতা এবং জ্ঞানের প্রশংসা করতেন সবসময়। কয়েক দশক পরে, স্পেনীয় দ্বিতীয় সম্রাট ফ্রেড্রিকের জন্য লাতিন ভাষায় অনুবাদ হয়েছিল বইটি।

মুসলিম লেখক মুবাশির বি ফাতিককে নিয়ে মাজাদার এক কাহিনীও আছে ইতিহাসে। তিনি এত বেশি পড়াশোনা করতেন, তার স্ত্রীকে তিনি সময়ই দিতেন না। ফলে তার উপর এতটাই বিরক্ত ছিলেন, কারণ বিবাহিত জীবনের বেশিরভাগ সময় তার গ্রন্থাগারে কাটিয়েছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর সাথে সাথে তার স্ত্রী সমস্ত বই নিয়ে একটি পুলে ফেলে দেন। তাই তার বেশিরভাগ কাজ বাঁচেনি। তারসঙ্গে সঙ্গে তার গবেষণারও মৃত্যু হয়। সূত্র: ড. ইয়াসিন আল কাদরির টাইমলাইন থেকে নেয়।

ইংরেজি থেকে আবদুল্লাহ তামিমের অনুবাদ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ