শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

রাবিতে 'র‌্যাগিংয়ে' বাধা দেয়ায় শিক্ষার্থীকে মারধর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: র‌্যাগিংয়ে বাধা দেয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আঘাতে তার চোখের উপরে জখম হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অপরদিকে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। উভয়ের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তারা একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা আরিফ তালুকদার নামে এক ভর্তিচ্ছুকে নিয়ে সন্ধ্যায় ঘুরতে বের হন সাদিক। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে গেলে মাসুম শিকদারের সঙ্গে দেখা হয় ভর্তিচ্ছু সাদিকের। এ সময় মাসুম তার বাড়ি টাঙ্গাইলে শুনে নানাভাবে প্রশ্ন শুরু করেন। পরে হলের গেস্ট রুমে নিয়ে টাঙ্গাইলের এক ছাত্রলীগ নেতাকে চেনেন কি-না জানতে চান। আরিফ ওই নেতাকে চেনেন না বললে তাকে র‌্যাগ দিতে শুরু করেন মাসুম।

এ সময় সাদিক বাধা দিতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাসুম চাবির রিং দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার চোখের উপরে কেটে যায়। এরপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সাদিকের চোখের কোনে দুটি সেলাই লেগেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বলেন, আমি কোনো ধরনের র‌্যাগ দিইনি। আরিফ তালুকদারের সঙ্গে ভালোভাবেই কথা বলেছি। ও এলাকার ছেলে বলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আর সাদিক আমার খুব কাছের বন্ধু। একসঙ্গে থাকলে আমরা সবসময়ই মজা করে মারামারি করি। তবে আজকে বেকায়দায় লেগে গেছে।

তবে গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া ও ছাত্রলীগ নেতার নাম জানতে চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মাসুম।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ