মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ

রাবিতে 'র‌্যাগিংয়ে' বাধা দেয়ায় শিক্ষার্থীকে মারধর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: র‌্যাগিংয়ে বাধা দেয়ায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। আঘাতে তার চোখের উপরে জখম হয়েছে।

ভুক্তভোগী সাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। অপরদিকে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী। উভয়ের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়। তারা একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা আরিফ তালুকদার নামে এক ভর্তিচ্ছুকে নিয়ে সন্ধ্যায় ঘুরতে বের হন সাদিক। শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের সামনে গেলে মাসুম শিকদারের সঙ্গে দেখা হয় ভর্তিচ্ছু সাদিকের। এ সময় মাসুম তার বাড়ি টাঙ্গাইলে শুনে নানাভাবে প্রশ্ন শুরু করেন। পরে হলের গেস্ট রুমে নিয়ে টাঙ্গাইলের এক ছাত্রলীগ নেতাকে চেনেন কি-না জানতে চান। আরিফ ওই নেতাকে চেনেন না বললে তাকে র‌্যাগ দিতে শুরু করেন মাসুম।

এ সময় সাদিক বাধা দিতে গেলে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাসুম চাবির রিং দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তার চোখের উপরে কেটে যায়। এরপর তাকে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সাদিকের চোখের কোনে দুটি সেলাই লেগেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মাসুম শিকদার বলেন, আমি কোনো ধরনের র‌্যাগ দিইনি। আরিফ তালুকদারের সঙ্গে ভালোভাবেই কথা বলেছি। ও এলাকার ছেলে বলে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। আর সাদিক আমার খুব কাছের বন্ধু। একসঙ্গে থাকলে আমরা সবসময়ই মজা করে মারামারি করি। তবে আজকে বেকায়দায় লেগে গেছে।

তবে গেস্টরুমে নিয়ে যাওয়া ও ছাত্রলীগ নেতার নাম জানতে চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মাসুম।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ