শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ড. কামালের ওপর সন্দেহ বাড়ছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও গণফোরাম নেতা ড. কামালের কাছে অনেক প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে বিএনপি এখন ঐক্যের টানে আর ঐক্যফ্রন্টে যায় না।

ঐক্যফ্রন্টের এই নেতার পথ অনুসরণ করতে গিয়ে উল্টো বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বিএনপিকে। অর্থ, জনবল আর তাদের দেখানো পথে হেঁটে কী পেল বিএনপি? এই প্রশ্ন বিএনপি নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে।

একই সঙ্গে ড. কামালের নতুন চাল নিয়ে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কটুবাক্যে জর্জরিত হচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত মঞ্চে ড. কামাল যে ধরনের মন্তব্য, বক্তব্য আর ভূমিকা রাখেন তা নিয়ে বিএনপির সিনিয়র ও শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ক্ষোভটা কেউ প্রকাশ করছে প্রকাশ্যে আবার কেউ দলীয় ফোরামে। নানা নাটকীয়তার পর ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বাংলাদেশের খবরকে বলেন, আমি, ব্যারিস্টার মওদুদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং ড. মঈন খান ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকগুলোতে আগে যেতাম এখন যাই না।

আমাদের প্রতিনিধি যায়। বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, ঐক্যফ্রন্টের সভাগুলোতে আগে যেতাম এখন আর খবর রাখি না।

সম্প্রতি বুয়েট ছাত্র নিহতের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কর্মসূচি ঘোষণা করে ড. কামাল। গতকাল বুধবার তা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তাতে সরকারের অনুমতি মেলেনি। তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক আরেক নেতা ও ফ্রন্টের সদস্য আ স ম আবদুর রব। আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দেন তিনি।

এদিকে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন করেছেন ফ্রন্টের সাত নেতা। ড. কামালের নেতৃত্বে তারা বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে দেখা করতে চান। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে জানিয়েছেন দেখা হতে পারে জেলকোড মেনে।

এর ফলে বিএনপি নেতাদের মধ্যে গতকাল বুধবারও আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে যে-এটাও ড. কামালের আরেকটি কৌশল। খালেদা জিয়ায় দুর্বল বিএনপি নেতা-কর্মীদের কাছে পেতে এ কৌশল নিয়েছেন তিনি। কামাল কখনো বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী হতে পারে-এমনটি মনে করেন না যুবদলের সাবেক নেতা আবুল কালাম আজাদ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ