বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব রমজানের আগে ২ হাজার ইউপিতে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির 

হুট করে বেড়ে গেল চালের দাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মানিকগঞ্জের সাতটি উপজেলার পাইকারি বাজারে হুট করে চালের দাম প্রতি কেজিতে বেড়েছে তিন থেকে চার টাকা। কিন্তু খুচরা বাজারে বেড়ে গেছে তার চেয়েও বেশি। প্রতি কেজি চাল আরও ছয় থেকে সাত টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। এতে করে বিপাকে পড়েছে নিন্মবিত্ত ও নিন্ম- মধ্যবিত্তরা।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) মানিকগঞ্জের কয়েকটি পাইকারি চালের আড়ৎ, অটো রাইস মিল ও বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সেখানে প্রতি ৫০ কেজি চালের বস্তায় দুই থেকে আড়াইশ’ টাকা বাড়লেও খুচরা বাজারে বেড়ে তা দাঁড়াচ্ছে তিনশ’ টাকার মতো।

সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের দুধবাজার এলাকার মেসার্স মজিবর ট্রেডাস, মেসার্স ফরহাদ ট্রেডার্স ও খালপাড় মোড়ের মেসার্স তনু রন্ত রাইস এজেন্সিতে ৫০ কেজি বস্তা মিনিকেট ২২০০ টাকা, মিনিকেট (কুষ্টিয়া) ২৩৫০ টাকা, ২৯ চাল ১৭০০ টাকা, হাফ সেদ্ধ ২৯ চাল ১৭৫০ টাকা, ঘি-ভুগ ২৮০০, নাজির ২৫০০, আমন ১৬০০, বাসমতি ২৫০০ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ পাইকারদের কাছ থেকে খুচরা ব্যবসায়ীরা যে টাকায় চাল কিনছেন, বিক্রি করছেন তার চেয়েও চড়া দামে।

ধানের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দুধবাজারে চালের ক্রেতা সাইফুল বলেন, দুই দিন আগে যে চাল ৩০ টাকা প্রতি কেজি কিনেছি, সেই চাল এখন ৩৬ টাকায় কিনছি। এভাবে চালের দাম বাড়লে আমাদের মতো পরিবারের তিন বেলা না খেয়ে দুই বেলা খেতে হবে। যত বিপদ হয়েছে আমাদের মতো নিন্ম-মধ্যবিত্ত লোকজনের।

মেসার্স মজিবর ট্রেডার্সের মহাজন মজিবর রহমান বলেন, হঠাৎ দুইদিনে চালের বস্তায় কিছু টাকা বেড়ে গেছে। অথচ আমাদের কাছ থেকে দামে খুচরা ব্যবসায়ীরা কিনছে, তার চেয়ে প্রতি কেজি চালে তারা ছয় থেকে সাত টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে।

মানিকগঞ্জ চাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী ফরহাদ আলী বাংলানিউজকে বলেন, আমরা বেড়া পাবনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী থেকে চাল কিনে মানিকগঞ্জের খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। ৫০ কেজি চালের বস্তায় দুই থেকে আড়াইশ’ টাকা মোকামেই বাড়ছে। সে অনুয়ায়ী আমরা খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছি। কিন্তু, শুনেছি খুচরা ব্যবসায়ীরা বাজারে ক্রেতাদের কাছে প্রতি কেজিতে আরও ছয় থেকে সাত টাকা করে বেশিতে বিক্রি করছে।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ