বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গাড়ির ক্ষতির খবরেও হাসিমুখে কাশ্মীরি যুবক, বললেন ‘আল্লাহর ইচ্ছা’ কাল আসছে রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি, পৌঁছাবে শনিবার সেপ্টেম্বরে ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় দেশে দেশে ভূমিকম্প অনুভূত, উৎপত্তিস্থল ও সময় জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর হাফপ্যান্ট পরায় মিলল না সাড়া, প্রতিবাদে এলেন মাত্র ৩ জন! শিবপুরে বিকেএমের সদস্য প্রশিক্ষণ মজলিস অনুষ্ঠিত অক্টোবর মাসকে ‘বায়তুল মাল মাস’ ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের আস-সুন্নাহর সহায়তায় নওমুসলিম আব্দুর রহমান এখন ছয়জনের কর্মসংস্থানের উদ্যোক্তা জাতীয় তাফসির প্রতিযোগিতায় ব্যাপক সাড়া, ১০ অক্টোবর ৮ বিভাগে লিখিত পরীক্ষা আল-আকসায় ১০ হাজারের বেশি ইসরায়েলির তাণ্ডব

পদ্মায় হেলে পড়া মসজিদে ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের হাইয়ারপাড় গ্রামের একমাত্র জামে মসজিদ হাইয়ারপাড় আল-মদিনা জামে মসজিদে ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।

বিগত ভরা বর্ষায় উপজেলার পদ্মা পাড়ের হাইয়ার গ্রামসহ আশে-পাশের গ্রামের প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন শুরু হয়। এতে হাইয়ার পাড় মসজিদটির পেছনের বেশ কিছু অংশের মাটি পদ্মায় বিলীন হয়ে গেলে মসজিদটি নদীর দিকে কিছুটা হেলে পড়ে। কিন্তু বর্তমানে পদ্মার পানি দ্রুত কমতে শুরু করায় ওই মসজিদটি ইতোমধ্যে পদ্মা নদীর দিকে অনেকটা হেলে পড়েছে।

ওই অঞ্চলে আর কোনো মসজিদ না থাকায় হেলে পড়া মসজিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নামাজ আদায় করছেন মুসল্লিরা। শুধু জীবনের ঝুঁকি নয়, নামাজে দাঁড়ানোর সময় নিজে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারলেও সেজদায় যেয়ে দেহের ভারসাম্য রাখা অনেক কষ্টের হয়ে পড়ে। রুকুতে গেলে কিছুটা হেলে পড়তে হলেও সেজদায় গেলে মনে হয় পুরো দেহ একেবারে গড়িয়ে পড়বে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মার গ্রাসে মসজিদের মেঝের অংশসহ বিভিন্ন অংশে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে।

মসজিদের ঈমাম আব্দুল হাই জানান ,নামাজের জন্য জামাত বাধা হলে সেই সময় মুসল্লিদের মনে বিপদের শঙ্কা না থাকলেও স্বজনরা উৎকণ্ঠায় থাকেন। সবকিছু ছাপিয়ে পাঁচ ওয়াক্তেই জামাতের ব্যবস্থা হয় প্রতিদিন। তবে সেই জামাতে মুসল্লির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে।

মুসল্লি খালেক শেখ বলেন, দিনের পর দিন যেভাবে মসজিদটি হেলে পড়ছে তাতে যেকোনো সময় পুরোটা ধসে পড়তে পারে পদ্মার বুকে।

মসজিদ কমিটির সভাপতি লতিফ হাওলাদার বলেন, নতুন করে অন্য জায়গায় কোনো রকমে একটি মসজিদ নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু অর্থাভাবে তা করা সম্ভব হচ্ছে না। মাত্র চার বছর আগে আধুনিক আদলে তৈরি করা মসজিদ ভবনটি এত অল্প সময়ে পদ্মার থাবায় ভেঙে পড়বে তা ভাবতে পারেনি।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা আক্তার জানান, মসজিদ এলাকায় ভাঙন শুরু হলে আমরা বেশ কিছু বালুভর্তি ব্যাগে মসজিদ রক্ষায় ওই স্থানে ফেলেছি। সরেজমিনে পরিদর্শন করে আমরা ওই এলাকার মুসল্লিদের জন্য একটি ব্যবস্থা নেব।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ