আওয়ার ইসলাম: ভারতের একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দিয়ে মঞ্চায়িত করা হলো বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার দৃশ্য।
১৯৯২ সালে হিন্দু উগ্রবাদীরা এ মসজিদ ভেঙ্গে দেয়। স্কুল শিক্ষার্থীদেরকে দিয়ে সেই দৃশ্য মঞ্চায়িত করার ঘটনা ভারতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় উঠেছে।
কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ তাদের অবস্থানে অটল। বিবিসির খবরে বলা হয়, বাবরি মসজিদের একটি বিশাল বড় পোস্টার টাঙানো হয়।
এরপর শিক্ষার্থীরা মসজিদ ভাঙার মতো করে সেই পোস্টার ছিড়ে ফেলতে থাকে। আর চলতে থাকে উল্লাস। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।
এ নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে স্কুলটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তারা বলেন, বাবরি মসজিদ ভাঙার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘গৌরব’ সঞ্চার করার উদ্দেশ্য ছিল তাদের।
ওই অনুষ্ঠানে একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সহ-গভর্নরও উপস্থিত ছিলেন। স্কুলের ম্যানেজিং ট্রাস্টি কালাদকা প্রভাকর এ বিষয়ে বলেন, ‘এই স্থাপনা ভাঙ্গা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।’
গত রোববার শ্রী রাম ভিদ্যাকেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসবে ওই মঞ্চায়ন ঘটে। এতে উপস্থিত ছিলেন শাসক দল বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাদানন্দ গোডা ও লেফটেন্যান্ট গভর্নর কিরন বেদি। এ ঘটনায় স্কুলের ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ।
ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা যখন বাবরি ভাঙ্গার দৃশ্যের প্রতীকী মঞ্চায়ন করছিল, তখন এক বক্তা সোৎসাহে বর্ণনা দিচ্ছিলেন। তাকে বলতে শোনা যায়, ‘হাতের কাছে যা আছে তা নিয়েই তারা মসজিদ ভাঙতে শুরু করেছে।’
শিক্ষার্থীরা যখন মসজিদের ছবি সম্বলিত পোস্টারটি টেনে হিচড়ে ছিড়ে ফেলছে, তখন তাদের উল্লাসের শব্দও শোনা যাচ্ছিল।
প্রভাকর ভাট অবশ্য বলেন, প্রতি বছরই একটি বড় ঘটনা মঞ্চায়িত হয় এই স্কুলে। গত বছর ভারতের চন্দ্র যাত্রার দৃশ্য চিত্রায়িত হয় এখানে। তিনি বলেন, ‘এখানে মুসলিমদের বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়নি। এটা নিয়ে কোনো কথা বলারই প্রয়োজন নেই। এখানে শুধু ভাঙার দৃশ্য দেখানো হয়েছে।’
প্রভাকর ভাট আবার হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস)-এর সদস্য। তিনি কর্ণাটক রাজ্যের ওই উপকূলীয় জেলায় বেশ প্রভাবশালà§