শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬ ।। ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাল হারামাইনে জুমার খুতবা দেবেন যাঁরা ফের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকিস্তান বেফাকের সভাপতি হলেন মুফতি তাকী উসমানী জুলাই জোটের সভাপতি মাবরুরুল হক, সাধারণ সম্পাদক জামিল সিদ্দিকী ‘পবিত্র কালেমার অবমাননা ও ভূরাজনৈতিক বিভ্রান্তি এড়াতে সচেতন হোন’  ‘বিশুদ্ধ আকিদা ছাড়া ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণ সম্ভব নয়’ তুরস্ক ও মিশরে যাচ্ছেন মাওলানা মাহফুজুল হকসহ ‘টিম হাফেজ্জী’ সংস্কার ও বিচারের দাবি অপূর্ণ থাকা জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি: পীর সাহেব চরমোনাই হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১৯ মোহাম্মদপুরে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  প্রথম দিনেই চট্টগ্রাম বোর্ডে অনুপস্থিত ১ হাজার ৩৪০ পরীক্ষার্থী

রাজাকারের তালিকা: মেম্বার-চেয়ারম্যানদের দুষলেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রাজাকারের বিতর্কিত তালিকার জন্য মেম্বার চেয়ারম্যানদের দুষলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি বলেছেন, মেম্বার চেয়ারম্যানরা যাচাই-বাছাই না করে নাম দেয়ায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে সংসদে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে একাধিক সংসদ সদস্যের প্রশ্নে তোপের মুখে পড়েন মন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, ভুলভ্রান্তি ছিল বলেই দুঃখ প্রকাশ করে রাজাকারের তালিকা প্রত্যাহার করেছি। রাজাকারের তালিকায় যাদের নাম আছে তারা সক্রিয় ছিল কি না তা শুধু যাচাই করার ব্যাপার। সমস্ত ডকুমেন্টারি প্রমাণাদি আছে। আমরা সব ডকুমেন্ট চেক করব। সমস্যাটা হচ্ছে, ওই সময় মেম্বার চেয়ারম্যানদের কাছে নাম চাওয়া হয়েছিল। তারা যাচাই-বাছাই না করে অনেকের নাম দিয়ে দিয়েছে হয়তো। সেজন্যই এই বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তার প্রশ্নে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নয়, এ কথা সরাসরি বলা যায় না। তথ্য যার কাছ থেকেই নেন, সেই তথ্য সঠিক আছে কি না সেটা দেখার দায়িত্ব এই মন্ত্রণালয়ের ওপরেই পড়ে। কিছু কিছু জায়গায় অসংগতির কারণে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি, আমরা অত্যন্ত ব্যথিত হয়েছি। প্রকৃত রাজাকাররা এই লিস্টে আসেনি।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি আগেই দুঃখ প্রকাশ করে রাজাকারের তালিকা প্রত্যাহার করেছি। ভবিষ্যতে যাতে আর ভুলত্রুটির পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য আমরা সকলের সহযোগিতা নেব এবং সম্পূর্ণরূপে যাচাই বাছাই করেই তালিকা প্রকাশ করব।

ফরিদুল হক খান তার প্রশ্নে বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কী, রাজাকারের তালিকা তৈরিতে কারও গাফিলতি আছে কি না এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণে সরকার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না?

জবাবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী বলেন, রাজাকারের তালিকা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রণয়ন করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চাহিদার প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ হতে ১ হাজার ৭৮৫ জন রাজাকার, আল বদর, আল শামস এবং স্বাধীনতা বিরোধীদের একটি তালিকা এ মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। প্রাপ্ত তালিকা হুবহু মুক্তিযুদ্ধ বিষয় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। যেহেতু মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় উক্ত তালিকা প্রস্তুত করেনি সেহেতু প্রশ্নে উত্থাপিত বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ