শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ।। ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরাকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, ২৬ দিন পর দেশে ফিরলো দুই প্রবাসীর লাশ লেবাননে হামলা বন্ধ করতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু মাদারীপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে যাচ্ছে ইরানের প্রতিনিধি দল ইসলামপন্থিদের শক্তিশালী মিডিয়া কাঠামো গড়ে তুলতে হবে: আমিরে মজলিস ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ে সাইকেল পুরস্কার পেল ৯ কিশোর বাবাকে ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলাটা সঠিক হয়নি: জামায়াত এমপি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত শাহজালালের (রহ.) মাজারে দানব্যবস্থায় স্বচ্ছতার উদ্যোগ, প্রশংসায় ভাসছে প্রশাসন শাহজালালের (রহ.) মাজারে দানবাক্সের নিরাপত্তায় এবার বসল সিসি টিভি

সিরিয়ায় পৃথক সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে তুরস্ক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় ইদলিব ও আলেপ্পো প্রদেশের পৃথক সেনা অবস্থানে হামলা চালিয়েছে তুরস্ক। এ ঘটনায় বহু সেনা হতাহত হয়েছে বলে দাবি করছে আঙ্কারা। তবে এখন পর্যন্ত এসব আক্রমণে প্রকৃত হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

আনাদোলু এজেন্সি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ইদলিবের দক্ষিণ উপকণ্ঠে এবং আলেপ্পোর পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সিরিয়ান সেনা অবস্থানে মর্টার শেল থেকে গোলা ছুড়ে এ হামলাগুলো চালানো হয়।

তুরস্কের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানান, আমরা এবার সিরিয়ার বেশ কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে মর্টার শেল থেকে গোলাবর্ষণ করেছি। এতে তাদের বহু সেনা হতাহত হয়েছে।

এর আগে সোমবার সকালে বিদ্রোহী অধ্যুষিত অঞ্চলে অবস্থান নেয় তুরস্কের সেনাবাহিনী। এর পরপরই মর্টার শেল থেকে গোলাবর্ষণ শুরু করে সিরিয়ার সরকারি সেনারা। এতে চার তুর্কি সেনা নিহতসহ বাহিনীর আরো নয় সদস্য গুরুতর আহত হন।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রাশিয়ার সহায়তায় আসাদ বাহিনী হামলাটি চালিয়েছে। তুরস্কের সামরিক বাহিনীর অবস্থানের ব্যাপারে আগে থেকেই অবগত ছিল সিরিয়া। এরপরও আসাদের অনুগত সেনারা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গোলাবর্ষণ করে।

যদিও এর প্রতিশোধ হিসেবে তুর্কি সেনারা এরই মধ্যে ইদলিবের ৫৪টি লক্ষ্যবস্তুতে সফলতার সঙ্গে আঘাত হেনেছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, রুশ সমর্থিত সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের নির্দেশে সম্প্রতি বিদ্রোহীদের সর্বশেষ ঘাঁটি ইদলিবে জোরালো সেনা অভিযান শুরু হয়। আর এতেই নতুন করে শরণার্থীদের ঢল নামার আশঙ্কায় প্রেসিডেন্ট এরদোগান সীমান্তে অতিরিক্ত সেনা ও সাঁজোয়া যান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ