শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

অনলাইনেই ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে কওমি মাদরাসাগুলো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সুফিয়ান ফারাবী।।
বিশেষ প্রতিবেদক>

করোনা পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই সারাদেশে সাধারণ ছুটি বন্ধ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে কয়েকবার ছুটি বাড়িয়ে ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়েছিল।

গত ২৮ মে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, সাধারণ ছুটি আর না বাড়িয়ে স্বাস্থ্য-সচেতনতার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।

সেই ঘোষণার পর আজ থেকে সারাদেশে সকল যানবাহন চলাচল শুরু করেছে। সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান স্বচল হচ্ছে।

কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কবে খুলছে -এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানাননি প্রতি-মন্ত্রী। তবে ১৫ তারিখের আগে খুলছে না, এতটুকু বলেছিলেন তিনি।

এর মধ্যে সারাদেশে অধিকাংশ ছোট-বড় কওমি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে। বিশেষ করে ঢাকার প্রায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনলাইন অথবা অফলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাবর্ষ বরণ করে নিচ্ছে শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার মাধ্যমে। ফোনে অথবা অনলাইন ফরম পূরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হচ্ছে। এছাড়াও ময়মনসিং, সিলেট, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভাগীয় বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যেই তাদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে।

সাভারের একাধিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক মুফতি মাহবুবুর রহমান নবাবগঞ্জী তার পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখলেও চালিয়ে নিচ্ছেন ভর্তি কার্যক্রম।

তিনি বলেন, সাধারণত সাভারের মাদ্রাসাগুলোতে ভর্তি ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হতে একটু বিলম্ব হয়। আমার তত্ত্বাবধানে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্ররা মাদ্রাসায় নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী, আমরা তাদেরকে বলছি অতি শীগ্রই মাদ্রাসা খুলে দেয়া হবে। তখন তোমরা মাদ্রাসায় এসে ভর্তি হবে। যেহেতু এবছর পরিস্থিতি একটু ভিন্ন রকম, তাই ভর্তি নিয়ে তোমাদের বিপাকে পড়তে হবে না। আমরা শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে চাই সচেতনতার সঙ্গে।

এজন্য ছাত্রদেরকে নিজ নিজ জায়গায় রেখে সম্ভব হলে ভর্তি কার্যক্রম চালাচ্ছি। মাদ্রাসায় আসার বিষয়ে ছাত্রদের অনুৎসাহিত করছি। আশপাশের ছেলেরা অবশ্য মাদ্রাসায় আসছেন,ভর্তি বিষয়ে কথা বলছেন। আমরা তাদের ভর্তি নিচ্ছি। বলছিলেন মুফতি মাহবুবুর রহমান।

শুধু হিফজুল কোরআন বা দাওরায়ে হাদিস নয় বরং ভর্তি কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছে উচ্চতর ইসলামিক গবেষণা সেন্টারগুলোও।

জামিয়া শায়খ যাকারিয়া রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরার মহাপরিচালক মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ নিজের প্রতিষ্ঠানের ভর্তি কার্যক্রম চালাচ্ছেন অনলাইনে।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলেমদের বৈঠকে মন্ত্রী মহোদয় বলেছিলেন ব্যক্তিগতভাবে আমি ভর্তি কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে অসুবিধা দেখছি না। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আপনাদেরকে সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবো।

মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ মনে করেন, দেশের মাদ্রাসাগুলো স্বকীয় অবস্থানে বিরাজমান। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গ্রীন সিগন্যালের পর ওলামায়ে কেরাম আলাদা মিটিং করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে তাদের ভর্তি কার্যক্রম চালাতে পারে।

এ মুহূর্তে অফলাইনে ভর্তি কার্যক্রম চালানো অনুচিত উল্লেখ করে মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ আওয়ার ইসলামকে বলেন, দিন দিন করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ হচ্ছে। এ সময় ভর্তি কার্যক্রম চালানোর ক্ষেত্রে সরাসরি না এসে অনলাইনের মাধ্যমে দাখেলা নেওয়া উচিত হবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ