আওয়ার ইসলাম: করোনার কারণে এ বছর পবিত্র হজ নিয়ে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা খুব দ্রুতই কাটবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
জানা যায়, করোনা সংক্রমণ রোধে আরোপিত বিধি-নিষেধ শিথিল করে দুই মাসেরও বেশি সময় পর ৩১ মে থেকে মদিনার মসজিদে নববীসহ সৌদি আরবের প্রায় ৯০ হাজার মসজিদের দ্বার নামাজের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।
তবে এখনও মসজিদে হারাম সর্বসাধারণের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত করা হয়নি। জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহ নাগাদ ধীরে ধীরে মক্কা অঞ্চলের মসজিদগুলো খুলে দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে আসন্ন হজের দ্বার খুলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
করোনার প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর ৩১ মার্চ হজ পালনেচ্ছুকদের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত হজের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে বলেছিলেন দেশটির হজ ও উমরা বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতেন।
সৌদি আরব করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে উমরা স্থগিত করে। ওই পদক্ষেপের পর থেকেই হজ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে হজ বন্ধের গুজব ছড়ায়। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি মন্ত্রী এ কথা বলেছিলেন।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ৩০ জুলাই (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণত সৌদি আরব ১৫ শাওয়ালের পর থেকে উমরা ভিসা বন্ধ করে দিয়ে হজের প্রস্তুতি নিত।
আর জিলকদ মাসের শুরু থেকে হজযাত্রীরা সৌদি আরব গমন শুরু করতেন। এবার করোনা দেখা দেওয়ার পর থেকে (২৭ ফেব্রুয়ারি) উমরা বন্ধ রয়েছে, তাই এবারের হিসাব ভিন্ন। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৪ জুন, সৌদি আরবে শাওয়ালের ১২ তারিখ) পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো ঘোষণা সৌদি কর্তৃপক্ষ দেয়নি হজ নিয়ে।
বিভিন্ন দেশ সৌদি আরবের কাছে স্পষ্টভাবে জানতে চাচ্ছে হজের বিষয়ে। বেশিরভাগ দেশ হজের জন্য সৌদি আরবের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। এরই মধ্যে এ বছরের হজযাত্রা স্থগিত করেছে ইন্দোনেশিয়া। এশিয়ার এই রাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক হজযাত্রী হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যান। দেশটির জন্য চলতি বছর হজের কোটা বরাদ্দ হয়েছিল ২ লাখ ২১ হাজার জনের। ইতোমধ্যেই এর ৯০ শতাংশের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছিল। তার পরও নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সতর্কতার জন্য দেশটি হজযাত্রা বাতিল করল।
এর আগে সিঙ্গাপুর ঘোষণা করেছে, এবার তার দেশের নাগরিকদের হজ পালনে পাঠাবে না। আফ্রিকার দেশ মরক্কো হজের সিদ্ধান্ত দ্রুত জানাতে সৌদি আরবের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। ২৮ মে দেশটির ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ