শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
জনগণকে উপেক্ষা করে বারবার ক্ষমতায় থাকা যাবে না: যুব মজলিস নদওয়াতুল উলামার ভারপ্রাপ্ত মুহতামিম হলেন যিনি কেয়ামত পর্যন্ত হকের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে একটি দল: বায়তুল মোকাররমের খতিব মসজিদে নববীর আশপাশে সাড়ে ৫ হাজার বৃক্ষরোপণ স্থানীয় নির্বাচনে চাঁদাবাজ-নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বর্জন করুন: পীর সাহেব চরমোনাই ফ্যাসিবাদের বিচার ও সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ সন্দেহের ভিত্তিতে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে দেশছাড়া করা যাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট আল-আমানাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত শাহজালাল বিমানবন্দর ঘিরে ডাকাতির ভয়ংকর নেটওয়ার্ক, গোয়েন্দা তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বাড়িভাড়া দেওয়া-নেওয়ায় শরিয়তের বিধান 

ভারত-চীন যুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়ছে, অস্ত্র কেনার ছাড়পত্র দিল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের হাতে ২০ ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত হওয়ার ঘটনায় সীমান্তে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ভারত লাদাখে যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে।

চীনও পিছু হটেনি, বরং উত্তেজনা বাড়িয়ে সেনা বৃদ্ধি করে চলেছে। এমন পরিস্থিতিতে তিন বাহিনীকে জরুরি অস্ত্র কেনার জন্য বিশেষ আর্থিক ক্ষমতা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার৷

এই বিশেষ ক্ষমতাবলে প্রকল্প পিছু ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অস্ত্র এবং সরঞ্জাম কিনতে পারবে তিন বাহিনীই৷ চীনের সঙ্গে সংঘাত যদি আরো বড় আকার ধারণ করে, সেকথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷

এএনআই-কে সরকারের এক শীর্ষ সূত্র জানিয়েছে, 'তিন বাহিনীর ভাইস চিফকেই প্রকল্প পিছু ৫০০ কোটি টাকা পর্যন্ত অস্ত্র কেনার সিদ্ধান্ত অনুমোদনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে৷ জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত প্রয়োজনীয় অস্ত্র এবং সরঞ্জাম যাতে কেনা যায়, সে কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷'

পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চীনা আগ্রাসন এবং বিপুল সংখ্যায় বাহিনী মোতায়েন করার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার৷ উরি হামলা এবং বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরেও দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে একই ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল৷

বালাকোটে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পরে সরকারের এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বেশি ফায়দা উঠিয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী৷ সেই সময় এই আর্থিক ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে স্পাইস-২০০০ এয়ার টু গ্রাউন্ড স্ট্যান্ড অফ মিসাইল, স্ট্রম অ্যাটাক এয়ার টু গ্রাউন্ড মিসাইল সহ বেশ কিছু জরুরি অস্ত্র এবং সরঞ্জাম কিনেছিল তারা৷

এর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও ইজরায়েলের অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল এবং আমেরিকা থেকে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কিনেছে৷ অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী যাতে প্রস্তুতি সারতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ সূত্র: নিউজ ১৮।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ