রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯০ দিন জামাতে নামাজ, ৩২ শিশু-কিশোর পেল বাইসাইকেল ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সারিতে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির অনুতাপে অশ্রু জম্মু-কাশ্মীরে মুসলিম ছাত্রীকে ক্যাম্পাসে বোরকা পরতে বাধা ক্ষমতাকে লুটপাটের সুযোগ মনে করায় অরাজকতা ছড়িয়েছে: গাজী আতাউর রহমান ১২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ১ হাজার ৩০০ জামিন নামঞ্জুর, আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ আদালতের ‘ভারতের সঙ্গে চুক্তি হলেই চালু হবে মোগলহাট স্থলবন্দর’ দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষা শুরু ২১ জানুয়ারি, ফি জমার শেষ সময় ১ নভেম্বর

চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতের প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে ভারতের পণ্য পরিবহনকারী জাহাজ 'এমভি সেজুঁতি'।

আজ মঙ্গলবার ভোরে পণ্যবাহী চারটি কন্টেইনার নিয়ে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায় বলে জানা গেছে। এর মধ্য দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার শুরু করেছে ভারত।

তথ্যটি নিশ্চিত করে বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, জাহাজটি প্রথম ট্রায়াল রানে চারটি কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। কন্টেইনারগুলোতে রড ও ডালের চালান রয়েছে। এখন বন্দর কর্তৃপক্ষ ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য চার্জ আদায় করবে। এ ছাড়া রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক, সড়ক ব্যবহার ও নিরাপত্তার জন্য মাশুলও আদায় করা হবে।

মূলত ভারত তাদের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহনের জন্য এখন থেকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে। রুটটি নিয়মিত করতে ট্রায়ালের অংশ হিসেবে আজ প্রথম ট্রান্সশিপমেন্ট এসে পৌঁছালো। এখান থেকে জাহাজের মালামাল কুমিল্লার বিবিরবাজার অথবা আখাউড়ার সড়কপথ দিয়ে ভারতের ত্রিপুরা ও আসাম রাজ্যে চলে যাবে।

ভারতীয় হাই কমিশন ও বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারত-বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো পণ্য পরিবহন শুরু হয়েছে। চারটি কন্টেইনারের মধ্যে দুই কন্টেইনার রড ত্রিপুরার জিরানিয়ার এস এম কর্পোরেশনের। বাকি দুই কন্টেইনার ডাল যাবে আসামে।

২০১৮ সালের অক্টোবরে দিল্লিতে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে ভারতের পণ্যের ক্ষেত্রেও একই সুবিধা প্রদান করবে। পাশাপাশি ভারতকে প্রায়োরিটির ভিত্তিতে স্পেস প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ একই দিনে একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের পণ্য বোঝাই জাহাজ ও ভারতের পণ্য বোঝাই জাহাজ বন্দরে এলে, ভারতের পণ্যবাহী জাহাজ অগ্রাধিকার পাবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ