রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
আস সাহাবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আতিকুল্লাহ, মহাসচিব বদরুল ইসলাম যতদিন ইচ্ছা ততদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারব: আইআরজিসি উপদেষ্টা অক্টোবরে ৩ লঘুচাপের শঙ্কা, রূপ নিতে পারে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে ফেনীতে দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় র‍্যাব সদস্য নিহত মাওলানা আনিসুজ্জামান সিকদারের ছেলের কবর জিয়ারতে বাদাশিকস নেতারা নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে অভিযান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খেলাফত মজলিসের মতবিনিময় সভা ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে শরিয়াভিত্তিক জনপ্রত্যাশা বিনির্মাণে যৌথ মতবিনিময় পরপর তিন ভূমিকম্পে কাঁপল দেশের বিভিন্ন অঞ্চল 

লিবিয়ায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে তুরস্ক ও মিশর!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিশরীয় পার্লামেন্ট হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ দেশটির সামরিক বাহিনীকে লিবিয়ায় হস্তক্ষেপের অনুমোদন দিতে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ক একটি গোপন সেশনের আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশটি। সেখানে দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্য উপস্থিতি থাকবেন এবং এই সিদ্ধান্তের পক্ষে বিপক্ষে ভোট প্রদান করবেন বলে নিশ্চিত করেছেন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের উপসচিব আল-সাইদ আল-শেরিফ।

তিনি বলেন, লিবিয়ায় তুর্কি আগ্রাসন থামাতেই এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে মিশরের সেনারা লিবিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করবে- এ বিষয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের অধিকাংশ সদস্য রাজি হয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, মিশরের জনগণ লিবিয়ার সঙ্গে আছে। তারা সেখানে তুর্কি হস্তক্ষেপ পছন্দ করছে না। কিন্তু সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করতে হলে আমাদের সবাইকে একতাবদ্ধ হতে হবে।

মিশরীয় হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের এই উপসচিব বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যরাও এ সিদ্ধান্তের কোনো বিরোধিতা দেখাননি। সরকারের প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন আছে। হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে উত্থাপিত প্রস্তাবে তাদের সমর্থন জরুরি। কারণ মিশর তার সংবিধান অমান্য করে সামরিক বাহিনীকে অন্য দেশে যুদ্ধের জন্য প্রেরণ করতে পারে না। সংবিধান অনুযায়ী সেই পদক্ষেপের জন্য সংসদ সদস্যদের সমর্থন প্রয়োজন।

লিবিয়ায় ক্ষমতার লড়াইয়ে দীর্ঘদিন গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল একোর্ড (জিএনএ) ও লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি (এলএনএ) লড়াই ও সংঘাত চালিয়ে আসছে। জিএনএকে সমর্থন করছে তুরস্ক। অন্যদিকে এলএনএকে সমর্থন দিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও রাশিয়া।

এদিকে, মিশরের এই সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করছেন, মিশর এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলে লিবিয়ায় মুখোমুখি হবে দুটি মুসলিম দেশ, অর্থাৎ তুরস্ক ও মিশর। আর এ থেকে ফায়দা নিতে পারে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ