শনিবার, ২০ জুন ২০২৬ ।। ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি ব্যর্থ করে দিতে পারে ইসরায়েল: মার্কিন গোয়েন্দাসংস্থা। বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বাস্তুচ্যুত মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতের আহ্বান গাজীপুরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিকেএম মিডিয়া সেলের আয়োজনে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ইঞ্জিন বিকল হয়ে ফেনীতে আড়াই ঘণ্টা আটকা মেঘনা এক্সপ্রেস মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষিকাজ: জীবিকার পাশাপাশি ইবাদত বড় ছেলে হত্যার ঘটনায় ছোট ছেলের নামে বাবার মামলা হাতিরঝিলের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন করা হবে: মীর শাহে আলম পরিত্যক্ত কূপ থেকে ছাগল তুলতে নেমে ৪ জনের মৃত্যু

চীনে উইঘুর মুসলিমদের ১৬ হাজার মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন: চীনের পূর্ব তুর্কিস্তানে (জিংজিয়াং প্রদেশ) বিগত কয়েক বছরে উইঘুর মুসলিমদের প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনিস্টিউট নামে একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। তাদের দাবি, চীনা কর্তৃপক্ষ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই অঞ্চলে ব্যাপকভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে।

গত শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিষ্ঠানটির ওই গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিংজিয়াং প্রদেশে এক কোটিরও বেশি মুসলিমের বসবাস। এদের অনেককে চীনা সরকার সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন শিবিরে বন্দী করে রেখেছে। একইসঙ্গে এসব বন্দীদের ধর্মীয় স্বাধীনতাও কেড়ে নেয়া হয়েছে। বিশ্বের একাধিক মানবাধিকার সংস্থা অস্ট্রেলীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের এই দাবি সমর্থন করেছে।

ক্যানবেরা ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি কয়েকশ’ ধর্মীয় ও পবিত্র স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ ও ক্ষয়ক্ষতির সচিত্র একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে, তাতে দেখানো হয়েছে যে, ১৬ হাজারের মধ্যে বেশিরভাগ মসজিদ একেবারে গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং অন্যান্যগুলোর ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি করা হয়েছে।

পরিপূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে, এমন মসজিদের সংখ্যা ৮ হাজার ৫'শ। বেশিরভাগ ধ্বংসযজ্ঞ সম্পন্ন হয়েছে সর্বশেষ তিন বছরে। নিরীক্ষণে দেখা যায়, কাশগর ও উরুমচির বাইরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কিছুটা বেশি।

আর অলৌকিকভাবে যেসব মসজিদ একেবারে গুড়িয়ে দেয়া হয়নি- সেগুলোতেও কিছু না কিছু ক্ষতিসাধন করা হয়েছে। এগুলোর কিছুর মিনারা ও আজানখানা ধ্বসানো, কিছুর গম্বুজ ভাঙ্গা।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এ অঞ্চলের মুসলিমদের এক-তৃতীয়াংশ ধর্মীয় স্থান, ধর্মীয় স্থানে আসা-যাওয়ার পথ এবং কবরস্থান সমতল করে দিয়েছে চীনা সরকার।

অপরদিকে পূর্ব তুর্কিস্তানে (জিংজিয়াং) খৃষ্টানদের গির্জা ও বৌদ্ধমন্দির গুলোর কোন ক্ষতি করা হয়নি বলে গবেষণায় জানানো হয়েছে।

তবে শুরু থেকেই চীন উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে আসছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন দাবি করেছেন, সেনাবাহিনীর শিবিরগুলোতে উইঘুরদের আটক রাখার যে অভিযোগ করা হয় তা অসত্য; বরং এসব শিবিরে তাদের কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, যা দারিদ্র্য ও চরমপন্থার মোকাবেলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনিস্টিউট এর এই গবেষণা প্রতিবেদনের সত্যতার ওপর প্রশ্ন তুলেছেন। সূত্র: ডেইলি সাবাহ

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ