শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মেয়র এম এ মান্নানের এক বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অধ্যাপক এমএ মান্নানের এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় এ বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (১৮ নভেম্বর) দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ কামাল হোসেন এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় মান্নান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আপিল সত্ত্বেও জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। এছাড়া একই মামলায় গোলাম কিবরিয়া নামে এক আসামিকে খালাস দেন আদালত।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র থাকাকালে (২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত) ৯৯৯টি ভুয়া ভাউচারের অনুদান ও ব্যয় দেখিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ত্রাণ এবং দরিদ্র তহবিল থেকে ৪৯ লাখ ১ হাজার ৮৪৮ টাকা আত্মসাৎ করেন এম এ মান্নান। এ ঘটনায় দুদকের উপসহকারী পরিচালক শামসুল আলম ২০১৬ সালের ২৩ জুন গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় মান্নান ও তার সহযোগী গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করেন।

২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারি মান্নান ও গোলাম কিবরিয়ার নামে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এরপর গাজীপুরে স্পেশাল জজ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারের জন্য ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে বদলি করেন। ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত। এ মামলায় বিভিন্ন সময় ছয়জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ