মুফতি জাকারিয়া মাসউদ।।
পবিত্র কুরআন মাজিদে ইরশাদ হয়েছে, আমি আপনাকে সমগ্র বিশ^বাসির জন্য রহমত স্বরুপ প্রেরণ করেছি। (সুরা আল-আম্বিয়া, আয়াত ১০৭) আল্লাহ তায়ালা বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে, সারা জগতের জন্য শান্তির বাতাস প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে এ ধরায় প্রেরণ করেছেন তা তাঁর বাণী থেকেই প্রমাণ পাওয়া যায়।
আর বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও নিজের পরিচয় দিয়ে বলেছেন, আমি শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। আমি উত্তম আদর্শ শিক্ষা দেওয়ার জন্য প্রেরিত হয়েছি। (বুখারী, মুসলিম) সুতরাং ঠিক তাই তিনি করে গেছেন, যা তাঁর আগমনের উদ্দেশ্য ছিল। যার প্রমাণ ছোট থেকেই লক্ষ্য করা যায়। আজ সর্বত্র সংস্কারের পরিকল্পনা থাকলেও নাই বাস্তব সম্মত কর্মপদ্ধতি। তাইতো কোনভাবেই সমাজ মাদক, র্ধষণ ও অপরাধ মুক্ত হচ্ছেনো। আসুন ফলো করি তার আদর্শ যার প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল স্বার্থক ও সফল। শিক্ষা নিবো তার থেকে যিনি ছিলেন মানবতার শিক্ষক। নিম্নে তার সমাজ পরিবর্তনের রুপরেখা দৃষ্টান্ত মুলক আলোকপাত করা হলো।
দুধমাতার কোলে নিষ্ঠার শিক্ষা: বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মা হালিমার দুধ পান করেন তখনই নিজের দুধভাইয়ের প্রতি ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে নিষ্ঠার শিক্ষা দিয়ছেন। হযরত হালিমাতুস সাদিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন যে, বিশ^নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রথম দিন যে স্তন থেকে দুধ পান করেছিলেন, যতদিন দুধপান করেছেন ঠিক একই স্তন থেকে পান করেছেন। কখনও অপর স্তন থেকে দুধ পান করেননি। কারন তার সাথে আরেকজন ভাই ছিল তার জন্য রেখে দিতেন। এভাবেই তিনি শিশুকালিন নিষ্ঠার শিক্ষা দিয়েছেন।(তারিখুল ইসলাম)
ঐতিহাসিক সমাধান: বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাত্র ৩৫ বছর ২ মাস বয়সে সমগ্র আরবের সকল গোত্রের মধ্যেকার আশু-রক্তক্ষয়ী সংঘর্র্ষের ঐতিহাসিক সমাধান করে সারা আরবে প্রশংসার পাত্রতে রুপান্তরিত হন। অর্থাৎ সে সময় মক্কায় বন্যার কারনে কাবা ঘর ভেঙ্গে গিয়েছিল। তাই আরবের সকল গোত্রের অংশগ্রহনের মাধ্যমে কাবা ঘর পুনঃসংস্কার এর কাজ করার উদ্যেগ গ্রহন করা হয়। এবং যথারিতি কাজ সম্পন্ন হয়ে যখন হাজরে আসওয়াদ নির্ধারিত স্থানে পুনঃস্থাপনের সময় হলো তখন বিবাদ শুরু হলো।
কেননা কাজটি ছিল অতি সম্মানের, আর সকল গোত্র চাচ্ছিল এ সম্মানের কাজটি তারা করবে যার ফলে প্রায় সংঘর্ষ লাগার উপক্রম হলো। ইতিমধ্যে কুরাইশের একজন বয়োবৃদ্ধ ব