সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির ১০ আমল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সবাই কমবেশি দুশ্চিন্তা করে। এটি একটি স্বাভাবিক বিষয়। তবে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে তখনই যখন কেউ সামান্য কারণেই চিন্তাগ্রস্ত হয় পড়ে। দুশ্চিন্তা কারণে মানসিক সমস্যা তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যাও দেখা দেয়। দুশ্চিন্তার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানুষের মস্তিষ্ক। ফলে স্মৃতিভ্রষ্টতা, বুদ্ধিবৈকল্য দেখা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হার্ট। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ক্ষুধা, নিদ্রাহীনতা এমনকি বহুমূত্র রোগের অন্যতম উপসর্গ হলো- মানসিক চাপ।

দুশ্চিন্তার কারণে মনের ওপর প্রভাব পড়ে সবচেয়ে বেশি। খিটমিটে মেজাজ, অল্পতেই বিষণ্ন হওয়া, অল্পতেই রেগে যাওয়া, অভিমান ও হতাশার মতো অনেক ধরনের মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে শুধু দুশ্চিন্তার কারণে।

দুশ্চিন্তা কমাতে ইসলামি চিন্তাবিদরা বেশ কিছু আমলের কথা বলে থাকেন। এগুলো নিয়মিত মেনে চললে দুশ্চিন্তা থেকে মিলবে মুক্তি। আমলগুলো হলো-

১. ভালো-মন্দ তাকদিরের ওপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস রাখুন। কেননা তাকদিরের ওপর পূর্ণ আস্থাবান ব্যক্তিকে দুশ্চিন্তা কাবু করতে পারে না। এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ তোমাদের ক্লেশ দিলে তিনি ছাড়া তা মোচনকারী আর কেউ নেই। আর আল্লাহ যদি তোমার মঙ্গল চান, তাহলে তার অনুগ্রহ রদ করার কেউ নেই...।’ –সূরা ইউনুস: ১০৭

২. দুনিয়ার বিপদের তুলনায় পরকালের বিপদের কথা স্মরণ করুন। দুনিয়ার বিপদ-আপদ আপনার জন্য পরকালের বিপদ থেকে রেহাই পাওয়ার কারণ হতে পারে। আর পরকালের বিভীষিকাময় পরিস্থিতির তুলনায় দুনিয়ার বিপদ-আপদ খুবই নগণ্য। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘যেদিন তারা তা প্রত্যক্ষ করবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা পৃথিবীতে মাত্র এক সন্ধ্যা অথবা এক প্রভাত অবস্থান করেছে।’ –সূরা নাজিয়াত: ৪৬

৩. চিন্তার মোড় ঘুরিয়ে দিন। নিজের চেয়ে নিচের মানুষদের অবস্থার দিকে তাকান। ভাবুন, আল্লাহ আপনাকে তার থেকে ভালো রেখেছেন। মনোবিজ্ঞানীরাও ডিপ্রেশনের চিকিৎসা হিসেবে রোগীকে এভাবে চিন্তা করার উপদেশ দিয়ে থাকেন। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেড় হাজার বছর আগেই চিকিৎসার এই পদ্ধতি প্রয়োগ করেছিলেন। হাদিসে এসেছে, হজরত খাব্বাব (রা.) বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলাম এ অবস্থায় যে তিনি কাবাঘরের ছায়ায় একটি চাদরে ঠেস দিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম, আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবেন না? আপনি কি আমাদের জন্য দোয়া করবেন না? জবাবে তিনি বলেন, ‘তোমাদের জানা উচিত, তোমাদের আগের মুমিন লোকেদের এই অবস্থা ছিল যà§