শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ১০ দফা প্রস্তাব জমিয়তের শুরা অধিবেশনে হাম উপসর্গে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু ‘গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল ৩ মাসের মধ্যে চুনকুটিয়ায় নেওয়া হবে’  ‘পুলিশের গুলি খাবো, তবু হেলমেট পরবো না’

আবরার হত্যা: আদালত বদলির বিষয়ে আদেশ দাখিল ২২ ডিসেম্বর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় আদালত বদলির বিষয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলের জন্য ২২ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মুহা. কামরুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন। এদিন বিচারকের ওপর আইনজীবীরা যে অনাস্থা দিয়েছেন সে বিষয় শুনানি হয়।

শুনানি শেষে বিচারক ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে আদালত বদলির বিষয়ে উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিল করতে নির্দেশ দেন।

এর আগে ৩ ডিসেম্বর নিরপেক্ষ বিচার নিয়ে আশঙ্কা থাকায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক আবু জাফর মুহা. কামরুজ্জামানের প্রতি অনাস্থা প্রদান করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। এই আদালতে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অনাস্থা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় বেআইনিভাবে মামলার সাক্ষীদের পুনরায় আদালতে ডেকে জবানবন্দি নেয়া হয়েছে। এতে নিরপেক্ষ বিচার নিয়ে আসামিদের ন্যায়বিচারের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় আদালতের প্রতি অনাস্থা দিয়েছেন কারাগারে আটক ২২ আসামির আইনজীবী।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার জেরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেয় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ওই ঘটনায় নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারনামীয় ১৯ জন এবং তদন্তে প্রাপ্ত এজাহারবহির্ভূত ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ৮ জন।

গ্রেফতার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মো. মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মো. মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মো. মনিরুজ্জামান মনির, মো. আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার ৩ আসামি এখনো পলাতক আছেন। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দু’জন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ