শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট নিরসনসহ ১০ দফা প্রস্তাব জমিয়তের শুরা অধিবেশনে হাম উপসর্গে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু ‘গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল ৩ মাসের মধ্যে চুনকুটিয়ায় নেওয়া হবে’  ‘পুলিশের গুলি খাবো, তবু হেলমেট পরবো না’

মসজিদে হামলা: তদন্তের ঘাটতিতে ক্ষমা চাইলেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: নিউজিল্যান্ডে মুসলিমদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষমা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাসিন্দা আরডার্ন।

তিনি বলেন, হামলার বিষয়টি নিয়ে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও তদন্ত কমিটির ব্যর্থতা রয়েছে। তাই আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। খবর দ্যা গার্ডিয়ান।

প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, গত বছর দু’টি মসজিদে ব্রেন্টন ট্যারেন্ট নামে এক ব্যক্তির সন্ত্রাসী হামলায় ৫১ জন মুসলিম নিহত হন। এই হামলার আগে দেশটির নিরাপত্তা সংস্থা ‘প্রায় একতরফাভাবে’ সম্ভাব্য ইসলামি সন্ত্রাসবাদের প্রতি জোর দিয়েছিলেন। ফলে এমন ধরনের ঘটনা ঘটে বলে একটি তদন্ত প্রেতিবেদনে উঠে এসেছে।

এই প্রতিবেদনে ব্রেন্টন ট্যারেন্টকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেয়ার আগে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে না পারার ব্যর্থতার জন্য পুলিশের সমালোচনা করা হয়েছে। হামলার আগে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি বর্ণবাদী ইশতেহারও পোস্ট করেছিল এ সন্ত্রাসী। গুলি চালিয়ে নির্বিচারে মুসল্লিদের হত্যার দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়েছিল। এসব ত্রুটি সত্ত্বেও সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে কোনো ব্যর্থতা খুঁজে পায়নি ওই প্রতিবেদন। ২০১৯ সালের ১৫ মার্চের ওই হত্যাকাণ্ড তারা প্রতিরোধ করতে পারত কিনা; এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

ট্যারেন্টকে প্যারোলবিহীন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। হামলার পর মুসলমানদের প্রতি সহানুভূতিশীল আচরণ করায় বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছিলেন আরডার্ন। ওই অস্ট্রেলীয় সন্ত্রাসীর ব্যবহার করা উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন আধা-স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিক্রি তিনি দ্রুতগতিতে নিষিদ্ধ করেন।

অনলাইন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একটি বৈশ্বিক আন্দোলনও শুরু করেন নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী। তবে হেট-ক্রাইম বা বিদ্বেষমূলক অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়া নিয়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের কাছ থেকে বারবার সতর্ক করা হলেও তাতে গুরুত্ব না দেয়ায় কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করা হয়েছে।

৮০০ পাতার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামি সন্ত্রাসবাদের হুমকির ওপর অসঙ্গতভাবে মনোযোগ দেয়া হয়েছিল। কমিশনে দাখিল করা মুসলমানদের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে বর্ণনা করা হয়েছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর টার্গেটে পরিণত হওয়ার পর তারা কেমন বোধ করেছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে দেয়া হুমকিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ