বেলায়েত হুসাইন
‘আল ফাদলু মা শাহিদাত বিহিল আ’দাউ’ (ওই বস্তু সত্যিকারেই শ্রেষ্ঠ যার স্বপক্ষে শত্রুও সাক্ষ্য দেয়)-বহুল প্রচলিত আরবি এ প্রবাদ যথার্থ প্রয়োগ হয় সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর সঙ্গে।
প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের অনেক বড় বড় রথী-মহারথী অমুসলিম ভিন্ন ধর্মের হয়েও মহানবীর শ্রেষ্ঠত্বের কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন। রাসুলের উত্তম চরিত্র, সততা, অসহায়ের প্রতি সহানুভূতিশীলতা, সমাজে সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং সর্বোপরি তাঁর নিখুঁত ও মহান গুণাবলির প্রশংসা করেছেন তারা। তাদের সেসব অমীয় ও সুবাসমাখা বর্ণনায় পৃথক পৃথক শিরোনামে আজকের প্রবন্ধ সাজানো।
সবচেয়ে সফল নবী
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার একজন লেখক লিখেছেন, পৃথিবীর সব ধর্মের সকল ধর্মীয় ব্যক্তিদের তুলনায় মুহাম্মদ (সা.) সবচেয়ে সফল।
অভিজাত ব্যক্তিত্ব
পশ্চিমা দার্শনিক মার্কস ডাড বলেছেন, একজন সম্ভ্রান্ত আরবের চরিত্র যেমন হওয়া প্রয়োজন মুহাম্মদের চরিত্র ঠিক তেমন-ই সুন্দর ছিলো। ধনী-গরীবকে শ্রদ্ধা করার ক্ষেত্রে তিনি কোন পার্থক্য করতেন না। নিজের অধীনস্ত লোকদের খেয়াল রাখা ও সেবার ক্ষেত্রে খুব আন্তরিক ছিলেন।
মহান সংস্কারক
রুশ দার্শনিক কাউন্ট টলস্টয় বলেন, মুহাম্মদ (সা.) ওইসব মহান সংস্কারকদের অন্তর্ভূক্ত যারা জাতির ঐক্যের জন্য অনেক সেবা করেছেন। তাঁর গর্ব করার জন্য এটাই যথেষ্ঠ যে, তিনি একটি পাশবিক সমাজকে সত্যের আলোর দিকে পথ দেখিয়েছেন। তিনি জাতিকে সহাবস্থান ও আত্মবিসর্জন অবলম্বনে অনন্য এক জীবনের শিক্ষা দিয়েছেন। তাদের জন্য উন্মোচন করেছেন উন্নতি ও সভ্যাতার এক নতুন পথ। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো- এমন গুণের মানুষ পৃথিবীতে আর আগমন করেনি।
ড. গৌডিয়া বলেন, মুহাম্মদ (সা.) সবসময় সবার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য প্রস্তুত থাকতেন। তাঁর দয়া ও উদারতা ছিল সীমাহীন। উম্মতের সংশোধনের চিন্তায় সর্বদা নিমগ্ন থাকতেন। তিনি ছিলেন জাতির জন্য অনন্য উদাহরণ এবং প্রবাদপ্রতীম। তাঁর প্রকৃতিতে গর্ব ও অহংকারের লেশমাত্র ছিলো না। এমনকি নিজ সাথীদের কৃত্রিম শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনে নিষেধ করতেন।
শ্রেষ্ঠ শিক্ষক
মহাত্মা সত্য দিহারি বলেন, ইসলাম ধর্মের মহান এই নেতার জীবনী বিশ্বকে অমূল্য পাঠ শিক্ষা দান করে। তাঁর জীবনের প্রতিটি বাঁক