শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক খাওয়া নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক খাওয়া নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পথচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।

আজ সোমবার (০৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কেক কাটার আয়োজন করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কেটে চলে যাওয়ার পর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে কেক বিতরণ করা হয়।

এ সময় পেছন থেকে কয়েকজন উচ্ছৃখল যুবক কেকের উপর হামলে পড়ার চেষ্টা করলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এদিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা জানান, কেক কাটার পর জেলা ছাত্রলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ আলী গ্রুপের সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়।

প্রধান অতিথি কেক কেটে চলে যাওয়ার পর কয়েকজন কর্মী কেক জোরপূর্বক নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অন্যরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয় হাতাহাতি। একপর্যায়ে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। হাতাহাতি ও ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ছড়িয়ে পড়ে আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আব্দুল হামিদ সড়কে।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাজুল ইসলাম বলেন, কেক খাওয়া নিয়ে হালকা একটু উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল, তাৎক্ষনিক আমরা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসি।

জানতে চাইলে জেলা শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফিরোজ আলী বলেন, জুনিয়র নেতাকর্মীদের মধ্যে সামান্য ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল, তেমন কিছু নয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ